সুমাইয়া ফেরদৌস ও অপরজন শারমিন বেগম।

সুমাইয়া ফেরদৌস ও অপরজন শারমিন বেগম। তারা দুইজনই সিলেট বিভাগের নারীশিক্ষা প্রসারের অন্যতম বিদ্যাপিট বড়লেখা নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের সাবেক ছাত্রী। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী মেধাবী সুমাইয়া ও শারমিন উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে আগ্রহী।

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালের মাস্টার্স (ইংরেজি) ফাইনাল পরীক্ষায় যুগ্মভাবে ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হয়েছেন বড়লেখার এই দুই মেধাবী ছাত্রী।

সুমাইয়া ফেরদৌস বড়লেখা নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হারুন-উর-রশীদ ও সাবেক স্কুল শিক্ষিকা কবি লাইলি বেগমের মেয়ে।

এ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় সুমাইয়া জিপিএ-৫ অর্জন করে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে বি.এ আনার্সে ভর্তি হয়। অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষায় সে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। এদিকে শারমিন বেগম উপজেলা সদরের ব্যবসায়ী সফিক উদ্দিন ও গৃহিণী আনোয়ারা বেগমের কনিষ্ট মেয়ে।

বড়লেখার মেধাবী এ দুই ছাত্রী ভবিষ্যতে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত হতে আগ্রহী হলেও এই মুহূর্তে তারা চাকরির কথা ভাবছে না। ডক্টরেট ডিগ্রিসহ ইংরেজির ওপর তারা উচ্চতর ডিগ্রি নিতে আগ্রহী।

দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম একটি বিশ্ববিদ্যালয় শাবি থেকে মাস্টার্সে ঈর্ষনীয় ফলাফল অর্জন করায় কৃতী শিক্ষার্থী সুমাইয়া ও শারমিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বড়লেখা নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী।

আজকের পত্রিকা/জেবি