জেস ওয়াল্ডম্যান, ২০১২ সালের অক্টোবরে ফটোগ্রাফার বেন হুপারের 'প্রাকৃতিক সৌন্দর্য' প্রকল্পে। ছবি: সংগৃহীত

লোম বা পশমও যে সুন্দর হতে পারে, এটা প্রদর্শনের জন্য একজন আলোকচিত্রী নারীদের বেশ কিছু সুন্দর ছবি একটি সিরিজ আকারে প্রকাশ করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, নারীরা তাদের বগলের লোম দেখাচ্ছেন। লন্ডনের ৩৭ বছর বয়সী এই ফটোগ্রাফার বেন হুপার তার হ্যাকনি স্টুডিওতে কয়েকটি ‘লোমশ’ নারীকে তার ক্যামেরায় বন্দি করেছেন।

কেওটোকেট, ২০১৭ সালের জুনে ফটোগ্রাফার বেন হুপারের ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য’ প্রকল্পে। ছবি: সংগৃহীত

এই আকর্ষণীয় ছবিগুলোর বেশির ভাগই ২০১৬ এবং ২০১৮ সালের মধ্যে তোলা হয়েছে। এটা প্রমাণ করে, নারীদের লোম অপসারণের সামাজিক অভ্যাসটি তাদের আকর্ষণীয় করে তোলার একমাত্র মাধ্যম হতে পারে না।

চার্লি বার্কার , ফটোগ্রাফার বেন হুপারের ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য’ প্রকল্পে। ছবি: সংগৃহীত

হুপারের প্রকল্পে নারীদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সৌন্দর্যের আধুনিক মাত্রাকে চ্যালেঞ্জ করে। সম্প্রতি এই ছবিগুলো বেশ আলোচনায় আসলে, হুপার ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য’ সিরিজ নামের একটি প্রদর্শনী শুরু করেন।

মায়া ফেলিক্স, ২০১৪ সালের জুনে ফটোগ্রাফার বেন হুপারের ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য’ প্রকল্পে। ছবি: সংগৃহীত

যখন হুপার ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য’ সিরিজ নামের এই প্রদর্শনী শুরু করেছিলেন, তখন তিনি এ ফটোগ্রাফির মডেল হিসেবে বিভিন্ন মডেল, অভিনেত্রী, ডিজাইনার এবং তার বিভিন্ন মাধ্যমের বন্ধুদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। তারা কয়েক মাস ধরে তাদের শরীরের লোম বাড়ানোর জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠেছিল।

শারলোট কনওয়ে, ২০১৮ সালের মে তে ফটোগ্রাফার বেন হুপারের ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য’ প্রকল্পে। ছবি: সংগৃহীত

কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সিরিজটি অনলাইনে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। যেসব নারীরা তাদের লোম অপসারণ করতে অপছন্দ করেন, তারা এ প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার জন্য সরাসরি হুপারের সাথে যোগাযোগ করেছেন।

আজকের পত্রিকা/রিয়া/সিফাত