পুলিশ ও সাংবাদিকদের সহায়তায় স্বজনদের কাছে ফিরে গেলো লিলি।

সিংড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম এবং সাংবাদিক রাজুসহ অপরাপর সাংবাদিকদের প্রচেষ্টায় লিলিকে ফিরে পেলো তার স্বজনরা।

লিলি বেগম একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা।

বাড়ি বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায়।

১৯ মে রবিবার সন্ধ্যায় সিংড়া ওভারব্রিজে লিলিকে দেখে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয় রাজু এবং তার সহকর্মীরা। সেই সাথে তারা সিংড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলামকে বিষয়টি জানান।

তিনি মহিলার নিরাপত্তার কথা ভেবে তাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং দুপচাঁচিয়া থানার ওসির সাথে কথা বলেন। ওই মহিলার পরিবারকে বিভিন্নভাবে খোঁজ করে লিলি বেগম এখন সিংড়া থানায় অবস্থান করছেন বলে জানান।

২০ মে সোমবার সকালে ঐ লিলিকে নিতে আসেন তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, জামাই নুর ইসলাম ও মেয়ে জাকিয়া। তারা তাদের মাকে পেয়ে খুশি। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯ মে রবিবার সকালে লিলি বাসা থেকে বের হন। তারপর থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে রাতে দুপচাঁচিয়া থানার ওসির ফোন পেয়ে তারা আস্বস্ত হন।

জানা যায়, লিলি বেওয়ার স্বামী ২০ বছর আগে মারা যান। স্বামী মারা যাবার পর থেকে তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়, তারপর থেকে চিকিৎসা করে সুস্থ হোন।

লিলির স্বজনরা জানান, কখনো তিনি বাড়ি থেকে বের হয় নাই। কিন্তু গতকাল হঠাৎ করে তিনি নিখোঁজ হন। লিলির স্বজনরা সাংবাদিক এবং সিংড়ার থানার ওসির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরিতোষ অধিকারী/নাটোর/জেবি