স্বাধীনতার রঙে আলোকিত রাজধানী মতিঝিলের শাপলা চত্তর। ছবি : আজকের পত্রিকা

২৬শে মার্চ। মহান স্বাধীনতা দিবস। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সারাদেশ ব্যাপী ৪৯তম মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। এই উদযাপনের অংশ হিসেবে রাজধানীসহ সারাদেশে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। বাহারি নকশা ও আলোকসজ্জায়।

ঢাকা শহরের সরকারী, বেসরকারি, আধা সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতেও লাল-সবুজ রঙের উজ্জ্বল বাতি শোভা পাচ্ছে। বাতিগুলো যেন বাংলার মহান স্বাধীনতার প্রতিচ্ছবির প্রতীকী অর্থ বহন করছে।

স্বাধীনতার রঙে আলোকিত রাজধানী মতিঝিলের শাপলা চত্তর। ছবি : আজকের পত্রিকা

রাজধানীর শাপলাচত্ত্বর এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবটিতে লাল সবুজের আলোকচ্ছটায় তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশের পতাকা, বঙ্গন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ দেয়ার সময়কার প্রতীকী ছবি ও মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও সাহসের প্রতিমূর্তি।

লাল-সবুজের রঙে আলোকিত হাইকোট। ছবি : আজকের পত্রিকা

ঢাকার রমনায় অবস্থিত সুপ্রীম কোর্টেও দেখা যায় একই দৃশ্য। সন্ধ্যাকালীন সুপ্রীপ কোর্ট ফুটে ওঠেছে লাল সবুজের চাকচিক্যময় আলোর সমাবেশে। ভবনটির মূল ফটক এবং গম্বুজ লাল রঙের বাতি দিয়ে এবং বাকি দুপাশে সবুজে ঘেরাও করে বাংলাদেশের পতাকার একটি প্রতিচ্ছবি অংকিত হয়েছে।

লাল-সবুজের রঙে আলোকিত ঢাকা। ছবি : আজকের পত্রিকা

স্বাধীনতা দিবসের এই আয়োজন থেকে বাদ যায়নি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলও শোভা পাচ্ছে লাল সবুজের বাতিতে।

স্বাধীনতার রঙে আলোকিত রাজধানী মতিঝিলের শাপলা চত্তর। ছবি : আজকের পত্রিকা

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি হিসেবে সন্ধ্যার পর থেকেই লাল সবুজের বাতিতে ঝলমল করছে ঢাকার অন্যান্য এলাকাগুলো। আলোকসজ্জায় রঙিন ঢাকা যেন পরিণত হয়েছে একখণ্ড লাল সবুজের পতাকায়।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/আ.স্ব/