দুদক
দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে আগত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক কর্মকর্তারা লালমনিরহাটে দু‌টি অভিযান পরিচালনা করেছে।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারী) লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আবু জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারী) জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুটি দপ্তরে দুদক কর্মকর্তারা এ অভিযান পরিচালনা করে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক তার দপ্তরের একটি অচল গাড়ীকে সচল দেখিয়ে প্রতি মাসে অবৈধ ভাবে তেলের বিল উত্তোলন পূর্বক সরকারী অর্থ আত্মসাত করছেন।

দুদক অভিযোগ কেন্দ্র ১০৬ -এ এমন একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে- দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুর এর সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান কালে দেখা যায়, গাড়ীটি দীর্ঘ দিন ধরে অচল হয়ে পড়ে থাকলেও প্রতি মাসে তা সচল দেখিয়ে তেলের বিল উত্তোলন করা হচ্ছে।

এ অনিয়মের বিষয়ে টীম গাড়ীটির লগ বইসহ আনুসাঙ্গিক কাগজ-পত্র সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ পূর্বক কমিশনে প্রতিবেদন পেশ করবে।

অন্য দিকে, লালমনিরহাট সরকারী খাদ্য গুদাম (এলএসডি) কতৃপক্ষ প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান না কিনে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে ও কোন কৃষক ধান বিক্রি করতে চাইলে তার কাছ থেকে বস্তা প্রতি ২০ টাকা এবং টন প্রতি সাড়ে ৭০০ টাকা ঘুষ আদায় করা হচ্ছে; এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরও একটি অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে, প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।

এনফোর্সমেন্ট টীম অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথি-পত্র পর্যালোচনা পূর্বক অনুসন্ধানের অনুমোদন চেয়ে কমিশনের কাছে প্র‌তিবেদন দাখিল করবে ব‌লে জানা গেছে।

-জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, লালমনিরহাট