মিজানুর ও চুমকি।

কুমিল্লা জেলার লাকসামে ভগ্নিপতির পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় ছুরিকাঘাতে শ্যালককে খুন করা হয়েছে। ২৯ এপ্রিল সোমবার উপজেলার পৌলাইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভগ্নিপতি মিজানুর রহমান লাকসাম পৌরশহরের গাজীমুড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। নিহত শ্যালক সুমন (২৬) মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাতিমারা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ মিজানুর রহমান এবং তার কথিত ভাগ্নি ও প্রেমিকা সুমি আক্তার চুমকিকে আটক করেছে।

স্থানীয় সূত্রে যায়, দীর্ঘদিন ধরে মিজানুর রহমান তার স্ত্রীর সম্পর্কীয় ভাগ্নি চুমকির সঙ্গে পরকীয়া প্রেম করছিলেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার এলাকায় শালিস দরবারও হয়েছে। এরপরও তারা সোমবার সকালে পালিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।

খবর পেয়ে মিজানুর রহমানের শ্যালক সুমন, তার বন্ধু ইমরান ও নাজমুস শাহাদাত নাঈম তাদেরকে লাকসাম জংশন এলাকা থেকে আটক করে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয়। পথে উপজেলার পৌলাইয়ায় পৌঁছালে মিজানুর রহমান পেছনের সিটে বসা এমরান হোসেনকে ছুরি মেরে গুরুতর আহত করেন। তার চিৎকারে শ্যালক সুমন বাঁধা দিতে গেলে সুমনকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে জখম করা হয়।

তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে গাড়ি থেকে সবাইকে আটক করে এবং আহত অবস্থায় সুমন ও ইমরানকে লাকসামের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথে সুমন মারা যান। এমরানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

লাকসাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোজ কুমার দে জানান, এ ঘটনায় মিজানুর ও চুমকিকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস/কুমিল্লা/২০১৯