রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে লাইসেন্সবিহীন দুধ ও দই বিক্রয়কারীদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। এ ব্যাপারে ২ সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে ( বিএসটিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিকে, গত ২১মে উল্লেখিত দুধ ও দইয়ের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নামসহ ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির প্রধান প্রফেসর ডা. শাহনীলা ফেরদৌসী তার গবেষণার রিপোর্ট আদালতে জমা দেন। এ বিষয়ে সে দিন কেমিক্যালযুক্ত দুধ-দই প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠান বা মালিকের নামসহ রিপোর্টটি জমা দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল।

তখন আদালতে প্রফেসর শাহনীলা ফেরদৌসী জানান, গবেষণায় দইয়ের ৩০টি, পশুখাদ্যের ৩০টি, প্যাকেটজাত দুধ ৩১, (র-ম্যাটিরিয়ালর্স) নমুনা কাউ মিল্ক ৯৬টির কোম্পানি ও ব্যক্তি বিশেষের নাম উল্লেখ আছে।

আদালত ওই দিন বিএসটিআইকে বলেন, আপনারা এতদিন কী কাজ করেছেন এসি রুমে কাজ, কোনো গবেষণাই তো আপনারা করছেন না। ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি করতে পারলে আপনারা পারছেন না কেন।

উল্লেখ্য, ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি তাদের এক গবেষণা তথ্য অনুযায়ী গরুর দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, দইয়ে ক্ষতিকর সিসা ও গোখাদ্যেও মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশকসহ নানা ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পাওয়া গেছে বলে জানান। এ বিষয়গুলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক, মানুষের কিডনি, লিভারসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ কারণেই আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে জনস্বার্থে এই রুল জারি করেছিলেন।

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস