দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বাজার মূল্যর থেকে অতিরিক্ত দামে লবন বিক্রির করার দায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের পৃথক অভিযানে ৮জন লবন ব্যবসয়ীর নিকট ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

গত মঙ্গলবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮ টা প্রর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জরিমানার শিকার লবন বিক্রেতারা হলেন, পৌরবাজারের লবন বিক্রেতা কাটাবাড়ী গ্রামের আজিজুল সরকারের ছেলে মতিন (৩২), লক্ষিপুর বাজারের লবন বিক্রেতা বাতাশু মন্ডলের ছেলে নুরুল ইসলাম, মাদিলা হাট বাজারের লবন বিক্রেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে জাকির হোসেন, মহদিপুর গ্রামের তোরাব আলী, রাঙ্গামাটি বাজারে লবন বিক্রেতা মনছুর আলীর ছেলে সামসুল সরকার, একই বাজারের লবন বিক্রেতা উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে মোসাদ্দেক আলী, খাজাপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে কাওছার আলী ও রাঙ্গামাটি গ্রামের আবু বক্করের ছেলে সুমন।

ফুলবাড়ী থানার ওসি ফকরুল ইসলাম বলেন কিছু ব্যবসায়ী হঠাৎ লবনের দাম বৃদ্ধি করে জনমনে আতĽ ও উৎকণ্টার সৃষ্টি করে, এই খবর পাওয়ামাত্র উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ আফরোজ এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানে নামে।

ওসি ফকরুল ইসলাম বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যামান আদালত অফিযানে পৌর বাজারের লবন বিক্রেতা কাটাবাড়ী গ্রামের মতিন বেশি দামে লবন বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

একইভাবে লক্ষিপুর বাজারের লবন বিক্রেতা নুরুল ইসলামের ১০ হাজার টাকা, তোরাব হোসেনের ২০ হাজার টাকা, মাদিলাহাট বাজারের লবন বিক্রেতা জাকির হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

অপরদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ আফরোজ এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত রাঙ্গামাটি বাজারে অভিযান চালিয়ে, রাঙ্গামাটি বাজারের লবন বিক্রেতা মোসাদ্দেক হোসেনের দুই হাজার টাকা, কাওছার আলীর দুই হাজার টাকা, সুমনের দুই হাজার টাকা ও সামসুল সরকারের এক হাজার টাকা জরিমানা করেন।

-মেহেদি হাসান