উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প কার্যক্রমের উপজেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা। ছবি: অনুষ্ঠিত

দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে তুলতে লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় চরাঞ্চলে ২০টি ইউনিয়নের ১০ হাজার ১২০ জন দরিদ্র পরিবারকে বিনামূল্যে হাঁস, মুরগি ও ভেড়া দেবে সরকার। এর মধ্যে সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৩ হাজার ৩৬ জন এ সুবিধা পাবে। কৃষি, মৎস্য ও পশুপাখি পালনের বিষয়ে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণও দেয়া হবে এসব পরিবারগুলোকে।

১২ জুন বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প কার্যক্রমের উপজেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের আয়োজনে ও বরিশাল বিভাগীয় উপকূল চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আইয়ুব মিঞা।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ যোবায়ের হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আক্তার, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জাকির হোসেন ভূঁইয়া আজাদ প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন টুমচর ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নুরুল আমিন লোলা, চররমনিমোহন ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ছৈয়ালসহ সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভার শুরুতে প্রকল্প পরিচিতি প্রদর্শন করেন বরিশাল বিভাগীয় প্রকল্প পরিচালক ডঃ নিতাই চন্দ্র দাস।

সভায় জানানো হয়, উপকূলীয় চরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষি, মৎস্য ও পশুপাখি লালন-পালনের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এসব এলাকায় এখনও উন্নত প্রযুক্তিতে পশুপালন না হওয়ায় প্রাণিসম্পদের উৎপাদনশীলতা কাঙ্ক্ষিতমাত্রায় উন্নত হয়নি।

‘উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিনটি প্যাকেজে হাঁস-মুরগি ও ভেড়া বিতরণ করা হবে। প্যাকেজ-১ এর আওতায় প্রতি পরিবারে ১৮টি হাঁসী, দুটি হাঁস ও একটি শেড দেওয়া হবে। প্যাকেজ-২ এর আওতায় প্রতি পরিবারে ১৮টি মুরগি, দুটি মোরগ ও একটি শেড দেওয়া হবে। প্যাকেজ-৩ এর আওতায় প্রতি পরিবারে ২টি ভেড়ি, একটি ভেড়া ও একটি শেড দেওয়া হবে।

আজকের পত্রিকা/মোঃ সোহেল রানা/লক্ষ্মীপুর/এআরকে