নিখোঁজ যুবলীগ নেতা

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা যুবলীগ সহসভাপতি মামুন ইকবাল ব্রহ্মপুত্র নদে ডুকে নিখোঁজ রয়েছে দুইদিন ধরে। ১৫ মে বুধবার সন্ধা প্রায় সাড়ে ৬টার দিকে নৌকার ছাদ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদে পড়ে ডুবে যাওয়ার পর নিখোঁজ যুবলীগ নেতার লাশের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুইদিন নদের বিভিন্ন স্থানে খুঁজে বেরিয়ে ব্যর্থ হয়ে ১৬ মে বৃহষ্পতিবার অভিযান শেষ করে।

এর আগে ব্রহ্মপুত্র নৌপথে চিলমারী নৌকা ঘাট থেকে ইঞ্জিন চালিত যাত্রিবাহি নৌকায় রৌমারীতে আসার সময় ফুলুয়ারচর ত্রিমোহনী নামক স্থানে হঠাৎ করে নৌকার ছাদ থেকে পড়ে যায় নদের অথৈ পানিতে। ধারণা করা হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র স্রোতে লাশ ভেসে গেছে।

এদিকে যাত্রিবাহি নৌকার মাঝির মোন্তাজ আলী জানান, নৌকায় মামুন ইকবাল ছাড়াও ছাদে আরো অনেক যাত্রি বসেছিল। রৌমারী নৌকা ঘাটের কাছাকাছি আসার পর হঠাৎ করেই নৌকার ছাদ থেকে নদে পড়ে সঙ্গে সঙ্গে ডুবে যায়। ওই নৌকার ছাদে বসা যাত্রিরা জানিয়েছেন মামুন ইকবাল নামের ওই যুবলীগ নেতা নৌকার ছাদে বসে ঘুমাচ্ছিল।

রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহ জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল টানা দুইদিন চেষ্টা করেছে লাশ খুঁজে বের করার জন্য। অনেক চেষ্টার পর লাশের খোঁজ না পেয়ে ডুবুরিদল অভিযান শেষ করেছে। ব্রহ্মপুত্র নদে তীব্র স্রোত থাকায় লাশ বেসে অনেক দূর যেতে পারে। এজন্য ব্র্র্র্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চল গুলোতে লোকজনকে জানিয়ে রাখা হয়েছে।

রৌমারী উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম আজিজুল হক ওরফে ‘হেডস্যার’র পুত্র নিখোঁজ মামুন ইকবাল। সে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন। বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি ছাড়াও বিসিআইসি সার ডিলার সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তার স্ত্রী জানান, ঘটনার দিন সকালে কুড়িগ্রাম শহরে কাজে গিয়েছিল সে। দুর্ঘটনার আগ মুহুর্তে সে মোবাইল ফোনে বলেছিল ‘বাড়িতে পৌঁছে ইফতার করব। সক কিছু রেডি কর।’

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলওয়ার মো. হাসান ইনাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নৌকার মাঝিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

মাসুদ পারভেজ রুবেল/কুড়িগ্রাম