রৌমারীতে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস পরিবহন সপ্তাহ ব্যাপি বন্ধ থাকায় রৌমারী রাজিবপুরের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

রৌমারী মটর শ্রমিক ইউনিয়ন, মালিক সমিতি ও রাজিবপুর মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে ঢাকা শ্রমিক ফেডারেশনের অভ্যন্তরীন কলহের জেরে এমন জনদূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে ধারনা করা হচ্ছে উভয়ের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে জনগণ চরম ভোগান্তিতে। সপ্তাহ ব্যাপি পরিবহন মালিক ও সংগঠন গুলোর শান্তিপুর্ণ আলোচনা ছাড়াই পেশী শক্তি ও জেদের বশিভুত হয়ে এমন সংকট সৃষ্টি করছে।

জিম্মি হয়ে পড়েছে, পথযাত্রী অসহায় নিরিহ মানুষ গুলো। এক সুত্রে জানা যায় সুকৌশলে ঢাকা শ্রমিক ফেডারেশন ও মালিকদের ইশারায় যাত্রী পরিবহন গুলি রৌমারী ও রাজিবপুর সীমানা থেকে জামালপুর এরিয়ায় কদমতলী এলাকায় নেয়া হয়। রৌমারী রাজিবপুরে প্রতিনিয়ত ৪০ থেকে ৫০টি পরিবহন আসা যাওয়া করে থাকে। যেহেতু পরিবহনের মালিক ২/৪টি ছাড়া সকলই টাঙ্গাইল,জামালপুর ও ঢাকা অঞ্চলের। তাই পান থেকে চুন খসলেই বাঁকা হয়ে বসে। কারো পৌষমাস, কারো সর্বনাশ। কনকনে শীতে শিশুসহ নানা বয়সের মানুষ পড়েছে হতাশায়। বাসগুলি কদমতলী থেকে ঢাকা আসা যাওয়া করছে।
কিন্ত কদমতলী থেকে রৌমারীর দূরত্ব ২০ কিলোমিটার।

রাত্রি বেলায় দূর্গম পথে অটো-রিক্সা, ভ্যান নানা উপায়ে টাকা কড়ি, জানমালসহ জীবনের ঝুকি নিয়ে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে।

বিভিন্ন সুত্রে পরিবহন হতে অতিরিক্ত টোল আদায় বিষয় ও পরিবহন বন্ধ ব্যাপারে রৌমারী মটর শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল মতিন, যুগ্ন-সম্পাদক শাহ-আলম, রাজিবপুর মটর শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ওছমান বলেন, হঠাৎ করে ঢাকা শ্রমিক ফেডারেশন ও মালিক পক্ষ রৌমারী রাজিবপুর মটর শ্রমিক ইউনিয়নকে অযৌক্তিক দোষারোপ করে মালিক পক্ষ একত্রিত হয়ে পরিবহন গুলো কুড়িগ্রাম জেলা সীমান্ত পার করে জামালপুর সীমান্তের কদমতলীতে জমায়েত করে। যারফলে যাত্রাপথে জনজীবনের চরম দূর্দশা শুরু হয়। শ্রমিক সংগঠন অতিরিক্ত কোন টোল আদায় করেনা।

এমন সংকট বিষয়ে জামালপুর মটর শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ বাবলা জানান, জনদূর্ভোগ লাঘবে আজ সোমবার সকল পরিবহন রৌমারী রাজিবপুরে যায়াতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

-মাসুদ পারভেজ রুবেল