বর্তমান সরকার কৃষি বিভাগের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহনের ফলে খাদ্যে উদ্বৃত্ত কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় চলতি রবি শস্য হিসেবে ২০১৯-২০ সালের মৌসুমে গমের বাম্পার ফলনের আশা প্রকাশ করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।

স্থানীয় কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, রৌমারী উপজেলার এবার ১ হাজার ২’শ ১৬ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হলেও ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৯’শ ৯১ হেক্টর জমিতে গম চাষে অর্জিত হয়।

যা গত বছরের চেয়ে ১’শ ৯৫ হেক্টর গম চাষ কম হয়েছে। গত বছর গম চাষের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ১হাজার ৫৪ হেক্টর ও অর্জিত হয় ১ হাজার ১’শ ৮৬ হেক্টর।

এ ছাড়াও সরকারের কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় গম চাষের জন্য ৫’শ ৮০ জন কৃষকের মাঝে, ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি পটাশ সার ও ২০ কেজি উন্নত ফলনশীলের গমের বীজ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের দক্ষিন বাগুয়ার চর গ্রামের জয়নুদ্দিনের ছেলে ইদ্রিস আলী সাংবাদিকদের বলেন, আবহাওয়া অনুকলে থাকায় এবারের গমের ফলন অনেক ভালো হবে।

তবে বাজারে গমের দাম কম হওয়ায় আমি এবার গমের চাষ কম করেছি। কারন গত বছর গমের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় গম চাষে আগ্রহ হারিয়েছি।

একই এলাকার গম চাষী শুকুর আলী বলেন, আমি এবার ১ একর জমিতে গম চাষ করেছি।

উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে গম চাষে সার ও কিটনাশক ব্যবহার করি।

এতে আমার জমির আবাদ অনেক ভালো দেখা যায়। আশা করি ভালো ফলন পাব। তবে বাজারে গমের ন্যায্য দাম না থাকায় ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারি না। গত বছরের চেয়ে এবার অর্ধেক জমিতে গম চাষ করেছি।

রৌমারী উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শাহরিয়ার হোসেন জানান, মাটির গুণাগুণে রৌমারী উপজেলার চরাঞ্চলের মাটি গম চাষের জন্য অনেক উপযোগী।

দাম কম থাকায় কৃষকরা গম চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। তিনি আরোও বলেন, অনেক কৃষক গম চাষের পরিবর্তে ভুট্ট চাষে আগ্রহী হচ্ছে।

-মাসুদ পারভেজ রুবেল