তীব্র গরমে রোজা রাখতে গিয়ে শরীরে প্রচুর পানিশূন্যতা দেখা দেয়। ছবি : সংগৃহীত

তীব্র গরমে রোজা রাখতে গিয়ে শরীরে প্রচুর পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এসময় প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। ফলে শরীরে পানি এবং অন্যান্য পুষ্টি চাহিদা মেটানো খুব গুরুত্বপুর্ণ হয়ে ওঠে। তাই পুষ্টিকর ও পানি সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা জরুরী।

তবে কিছু খাবার আছে যা খেলে পানির চাহিদা অনেকটা পূরণ হয়ে যায়। আমরা যদি ইফতারের পর এসব খাবার খাই তাহলে সারাদিন পানির পিপাসা তুলনামূলক কম লাগবে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে-

তরমুজ

তরমুজে রয়েছে ৯৩ শতাংশ পানি। ছবি : সংগৃহীত

তরমুজে রয়েছে ৯৩ শতাংশ পানি। রমজান মাসে ইফতারের সময় তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। এতে মিনারেল, লবণ ও প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে। শুধু তাই নয়, তরমুজ ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামসহ আরও অনেক ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

শসা

শসাতে রয়েছে ৯৬.৭ শতাংশ পানি। ছবি : সংগৃহীত

শসাতে রয়েছে ৯৬.৭ শতাংশ পানি। তাই সালাদ, শসার জুস অথবা খাবারের সঙ্গে শসা খেতে পারেন। এক কাপ শসা এক গ্লাস পানির সমান। শসা শরীরে পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করে থাকে। কারণ শসাতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে ও পটাশিয়াম।

মুলা

মুলায় রয়েছে ৯৫ শতাংশ পানি। ছবি : সংগৃহীত

মুলা অনেকেই অপছন্দ করে থাকেন। কিন্তু মুলায় রয়েছে ৯৫ শতাংশ পানি। মুলায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যাটেচিন ও রিবোফ্লাভিন, যা প্রোটিন, চর্বি ও কার্বোহাইড্রেটকে ভাঙতে এবং দেহে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

টমেটো

টমেটোতে রয়েছে ৯৪.৫ শতাংশ পানি। ছবি : সংগৃহীত

টমেটোতে রয়েছে ৯৪.৫ শতাংশ পানি। এতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কারোটিনসাইড, আলফা ও বিটা ক্যারোটিন। টমেটো সালাদ, স্যান্ডউইচে খেতে পারেন।

ধুন্দুল

ধুন্দুলে রয়েছে ৯৫ শতাংশ পানি। ছবি : সংগৃহীত

ধুন্দুলে রয়েছে ৯৫ শতাংশ পানি। আর এই সময় বাজারে এই সবজিটি বেশি দেখা যায়। ধুন্দুল শরীর হাইড্রেটেড করে। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/এআরকে