ইবাদতের জন্য উত্তম মাস এই রমজান। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র মাহে রমজান হচ্ছে রহমত ও বরকতের মাস। রমজান মাস এলেই প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির ভেতর ভালোলাগার অনুভূতি বাড়ে। এই মাসে মানবজাতি অপরের প্রতি সহমর্মী হয়।

এই মাসে আমাদের কী করা উচিত, কিভাবে চলা উচিত। এ মাসকে কিভাবে আমরা মহিমান্বিত করতে পারি সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-

১. আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরীক করব না, ২. সব কিছুর ফয়সালাকারী হিসেবে আল্লাহকে মেনে নেব, ৩. তার রাসূলকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করব, ৪. ঈমানের সঙ্গে ইসলামে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করব, ৫. নামাজ ও রোজায় অটল থাকব, ৬. আর্থিক সামর্থ্য আছে তারা যাকাত ও হজ করব। ৭. বিপদে ধৈর্য্যধারণ করব, ৮. আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামতের শোকর আদায় করব, ৯. ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব, ১০.প্রশংসিত চরিত্রের অধিকারী হবো।
১১. সবার প্রতি সদ্ব্যবহার করব, ১২.আল্লাহর অধিকারের প্রতি যথাযথ মনোনিবেশ করব, ১৩. মহব্বতের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগী করব, ১৪. মানুষের অধিকারের প্রতি যত্নশীল হবো, ১৫. অপরের সম্পদ আত্মসাৎ করব না, ১৬. ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতি দিলে তা রক্ষা করব, ১৭. সদা সত্য কথা বলব মিথ্যা বলব না, ১৮. সর্বপ্রকার অশ্লীলতা থেকে নিজেকে বিরত রাখব, ১৯. প্রতি পদে পদে আল্লাহকে ভয় করব।
২০. শাস্তিদানের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অন্যায়কারীকে ক্ষমা করে দেব, ২১. আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সৃষ্টিকে নিয়ে গবেষণা ও জ্ঞান অর্জন করব, ২২. আল্লাহর সর্বপ্রকার সৃষ্টির সেবা করব, ২৩. সমাজে একতাবদ্ধ হয়ে থাকব, ২৪. অতিরিক্ত ধন-সম্পদে গরিবের হককে আদায় করব, ২৫. পরিশ্রম করতে লজ্জাবোধ করব না, ২৬. কুসংস্কারে বিশ্বাস করব না, ২৭. বিলাসিতা ও অপচয় করব না, ২৮. কৃপণতা অবলম্বন করব না, ২৯. শালীন পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিধান করব, ৩০. পর্দার সঙ্গে চলব।
৩১.বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করব, ৩২. গোনাহ হয় এমন কাজ বা ধারণা থেকে বিরত থাকব, ৩৩. কারোর কোনো গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করব না।

উপরোক্ত গুণাবলীগুলো রমজানে পালন করব এবং রমজানের পরেও পালনে সচেষ্ট থাকব। তবেই পরকালে নাজাত ও জান্নাতে প্রবেশ করব।

আজকের পত্রিকা/এমআর/এমএইচএস