স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধু আব্দুর রহমান সৈকতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর রবিবার তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রুম্পার মৃত্যুর তিন দিন পর ৭ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় আটক সৈকতকে ৮ ডিসেম্বর এ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছে। রুম্পার পারিবারিক সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, সৈকতের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সৈকত একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র ছাত্র ছিল।

উল্লেখ্য, ৪ ডিসেম্বর বুধবার রাতে সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের পেছনের দুই ভবনের মধ্য থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহ দেখে আশপাশের লোকজন চিনতে না পারায় মৃতের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা হয়, যার মাধ্যমে তার পরিচয় মেলে।

রুম্পার বাবা হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। বাবা হবিগঞ্জে থাকলেও মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ঢাকার শান্তিবাগে থাকতেন তিনি। পারিবারিক সূত্র জানায়, রুম্পা দু’টি টিউশনি করে বুধবার সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন। পরে কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন। বাসা থেকে নিচে নেমে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও পরা স্যান্ডেল বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে এক জোড়া পুরনো স্যান্ডেল পায়ে বেরিয়ে যান তিনি। কিন্তু রাতে আর বাসায় ফেরেননি।

পরিবারের লোকজনসহ স্বজনেরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও রুম্পার সন্ধান পাননি। পরে খবর পেয়ে তার মা এবং স্বজনেরা রমনা থানায় গিয়ে মরদেহের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন।

আজকের পত্রিকা/সিফাত