বাংলাদেশ ব্যাংকের

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে গচ্ছিত স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধিজনিত অর্জন হয়েছে ৯ কোটি ডলার। এর মধ্য দিয়ে আর্থিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে স্বর্ণের অংশ বেড়েছে, যদিও ওজনের দিক দিয়ে আগের মতোই রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত জুলাই শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের স্থিতি দাঁড়ায় তিন হাজার ২১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। এর মধ্যে গচ্ছিত স্বর্ণের আর্থিক পরিমাণ বা মূল্য দেখানো হয়েছে ৬৪ কোটি চার লাখ ডলার। অথচ ২০১৮ সালের জুলাই শেষে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ২১০ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। ওই সময় রিজার্ভে গচ্ছিত স্বর্ণের মূল্য দেখানো হয়েছিল ৫৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যায়, বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে বর্তমানে যে পরিমাণ স্বর্ণ রয়েছে, তার ওজন চার লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ আউন্স বা ১৩ হাজার ৯৭০ কেজি। এক বছর আগেও রিজার্ভে মজুত করা স্বর্ণের পরিমাণ একই ছিল। তবে গত জুনে রিজার্ভের স্বর্ণের মূল্য পুনর্মূল্যায়ন করে দেখানো হয় ৬৩ কোটি ২৮ লাখ ডলার। পরের মাস জুলাইয়ে সেই মূল্য আরও বাড়িয়ে ৬৪ কোটি চার লাখ ডলার করা হয়। ফলে এক বছরের ব্যবধানে সোনার মূল্য বাড়তে দেখা যায় ৯ কোটি আট লাখ ডলার।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর বাড়তে দেখা গেছে। দেশেও চলতি আগস্ট মাসে চারবার স্বর্ণের দাম বেড়েছে। গত মঙ্গলবার ভালো মানের স্বর্ণের দাম বেড়ে ভরিপ্রতি দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ২৮ টাকা। এটি ২০১২ সালের পর সর্বোচ্চ দাম। ওই সময় স্বর্ণের ভরি ৬০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছিল।

আজকের পত্রিকা/আরকে