মোবাইল সিম। ছবি : সংগৃহীত

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ২০ লাখ ৪৯ হাজার মোবাইল সিম। জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একজন গ্রাহকের নামে নিবন্ধন করা ১৫টির বেশি সিম বন্ধ হয়ে যাবে। ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে সিমগুলো বন্ধ করা হবে। এমনটা জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।  তবে করপোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে সেটা প্রযোজ্য হবে না বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, ‘বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচটি অপারেটরের ২০ লাখ ৪৯ হাজার সিম বন্ধ করে দেওয়া হবে। একজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসংখ্য সিম কেনার ফলে অপরাধ প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। সেটা থেকে রক্ষা পেতে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করা হচ্ছে।’

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন গ্রাহকের প্রি-পেইড, পোস্ট পেইড মোবাইল অপারেটর নির্বিশেষে সিম বা রিমের সর্বমোট সংখ্যা ১৫ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে এই সীমার বাইরে কোনো গ্রাহক সিম নিবন্ধন করতে পারবেন না।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সব গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসি’র কাছে রয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারের মাধ্যমে জানা যায়, ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৭টি সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের সিম সংখ্যা চার লাখ ৬১ হাজার ২৬১, বাংলালিংকের চার লাখ ৫৫ হাজার ৮৩১, রবি‘র চার লাখ ১৯ হাজার ২০২, টেলিটকের চার লাখ ৮৭ হাজার ৮৯২ ও এয়ারটেলের রয়েছে দুই লাখ ২৫ হাজার ৭৬১টি সিম।

বিটিআরসি‘র তথ্যমতে, অন্তত এক লাখ জাতীয় পরিচয়পত্রের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত নির্দেশনা মানা হয়নি। এই সংখ্যক জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি সিম নিবন্ধন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১২ জুন সরকার একজন গ্রাহকের বিপরীতে ২০টি সিম নির্ধারণ করে দেয়। পরে এই সংখ্যা কমিয়ে ৫টি করা হলেও সেই সিদ্ধান্তও পরিবর্তন হয়। সর্বশেষ ২০১৭ সালে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ১৫টি সিম নিবন্ধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়।

আজকের পত্রিকা/আ.স্ব/জেবি