রুটি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত ফ্যাট ঝড়তে শুরু করে। ফলে নিমেষে ওজন কমে। ছবি : সংগৃহীত

শরীর সুস্থ রাখতে রুটি খাওয়ার বিকল্প নেই। রুটিতে রয়েছে এখাধিক পুষ্টিগুণ যা হার্ট ভালো রাখে। গমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, ই, সিলিকন, ক্লোরিন, সালফার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, আয়োডিন, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ ক্যালসিয়াম এবং প্রাকৃতিক লবণ রয়েছে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

রিফাইন করা ময়দার রুটি থেকে আটার রুটিই বেশি স্বাস্থ্যকর। বেশ কিছু গবেষণায় উঠে এসেছে যে রিফাইন করা ময়দা বিভিন্ন ধাপে আমাদের খাওয়ার উপযুক্ত হয় বলে এর স্বাস্থ্যকর গুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। অপরপক্ষে লাল আটার রুটিতে ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা সঠিক পরিমাণে থাকে বলে তা আমাদের জন্য বেশ স্বাস্থ্যকর। চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিরাতে রুটি খাওয়ার উপকারিতা-

খনিজের ঘাটতি পূরণ করে

শরীরকে সুস্থ রাখতে যেসব ভিটামিন এবং খনিজের প্রতিনিয়ত প্রয়োজন পড়ে, সেগুলি সবই রয়েছে রুটিতে। তাই তো রাতে হোক কী দিনে রুটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

শরীরে জমে থাকা ফ্যাট কমিয়ে দেয়

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে রুটি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত ফ্যাট ঝড়তে শুরু করে। ফলে নিমেষে ওজন কমে। অর্থাৎ রাতে রুটি খেলে ওজন তো বাড়েই না। উল্টো কমতে শুরু করে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

রুটিতে উপস্থিত ফাইবার শরীরে প্রবেশ করা মাত্র হজম ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বল এবং বদ-হজমের মতো সমস্যাও কমিয়ে দেয়। এখানেই শেষ নয়, তুল্য মূল্য বিচার করে দেখা গেছে রাতে ভাত এবং রুটির মধ্যে রুটি তাড়াতাড়ি হজম হয়। ফলে বদ-হজমের আশঙ্কা কমে।

শরীরের এনার্জির মাত্রা বেড়ে যাবে

রাতে রুটি খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর করে শরীরে এনার্জির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শরীরে এনার্জির মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ করে

যাদের পরিবারে ডায়াবেটিস এর ইতিহাস আছে তারা রুটি খেতে পারেন। প্রতিরাতে রুটি খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে ফলে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে রুটি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। যার ফলে প্রেসার বেড়ে যাওয়া এবং হার্ট অ্যাটাক, ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর