প্রতীকী ছবি

রাজবাড়ীর পাংশায় নিজের ষষ্ঠ শ্রেণির মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা রাজা মিয়া (৩৬) নামে এক রিকশা চালককে আটক করেছে পুলিশ।

৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে ওই ইউনিয়নের নিভা গ্রামের হাছেন মণ্ডলের ছেলে।

এ ঘটনায় পাংশা থানায় মামলা দায়ের এবং নির্যাতিত শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্লাহ।

ওই ছাত্রীর চাচা জানায়, মেয়েটির বাবা মা দু’জনেই কুষ্টিয়ায় থাকে। সেখানে বাবা রিকশা চালায় এবং মা একটি মেসে রান্নার কাজ করে। মেয়েটি তার দাদির সাথে পাংশার গ্রামের বাড়িতে থাকে। প্রায় এক বছর ধরে তার বাবা মাঝে মাঝে বাড়িতে এসে তাকে ধর্ষণ করে। বাবাকে সে এই কাজ করতে বার বার নিষেধ করলেও সে তা মানেনি। সর্বশেষ ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার তার বাবা বাড়িতে এসে তাকে ধর্ষণ করে আবার কুষ্টিয়া চলে যায়। এরপর এ ঘটনা সে তার চাচাসহ এলাকার লোকজনদের কাছে বলে। পরদিন তার বাবা আবার বাড়িতে এলে ৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন তার বাবাকে মারধর করে পাট্টা ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সেখানে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রব বিশ্বাস তার বাবাকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্লাহ্ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজা মিয়া তার মেয়েকে ধর্ষণ করার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি এবং ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে অভিযুক্ত রাজা মিয়া পুলিশি হেফাজতে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।

কাজী তানভীর মাহমুদ/রাজবাড়ী