জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল গণফোরামে ভাঙনের পর এবার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলেও (জেএসডি) ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে দলটির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।আগামীতে দলটির হাল ধরাকে কেন্দ্র করেই সভাপতি আ স ম আব্দুর রব ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতনের মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে বলে জানা যায়।

১২ নভেম্বর মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতনসহ দলের শীর্ষস্থানীয় আট নেতা বলেন, জেএসডি ঘোষিত ২৮ ডিসেম্বরের কাউন্সিল-২০১৯ সম্পূর্ণ অবৈধ। গত ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে কোনো গঠনতন্ত্র উপস্থাপিত ও অনুমোদন হয়নি। জাতীয় পরিষদের সভা ডেকে পরবর্তীতে সব ঠিক করে নেওয়া হবে বলার চার বছর পার করে দেওয়া হয়েছে অথচ আজও তা করা হয়নি। এর মধ্যে আগের গঠনতন্ত্রকেও লংঘন করে সাত সদস্যের স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয় যা অনুমোদিত নয় ও সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিক।

এ কমিটির মাধ্যমে গঠিত কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটি ও দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি এম এ গোফরানকে বল প্রয়োগের মাধ্যমে বহিষ্কার ঘোষণা সবই অবৈধ। কাজেই এ কাউন্সিল অগণতান্ত্রিকভাবে ব্যক্তি বিশেষের অবৈধ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়াস ছাড়া কিছুই নয় বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতনসহ দলের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি এম এ গোফরান, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আতাউল করিম ফরুক, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া খোন্দকার, দেলওয়ার হোসেন ও মোশারফ হোসেন এবং শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষর করেন।

এ বিষয়ে জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব নীরব থাকলেও তার স্ত্রী তানিয়া রব গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে এমন মতভেদ হতেই পারে। তাতে দলে ভাঙন হবে না। আলাপ আলোচনা চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই সব ঠিক হয়ে যাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আজকের পত্রিকা/সিফাত