আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ক্রাইস্টচার্চে নিজেদের সিরিজ হারার ম্যাচে, মুশফিক খেলে ফেললেন নিজের ২০০ তম ওয়ানডে ম্যাচ। তবে নিজের এই মাইলফলকটি রাঙাতে পারেননি মুশফিক। ব্যাট হাতে ৩৬ বল খেলে করেন ২৪ রান। ২২৭ রানে থামা বাংলাদেশকে তাই ৮ উইকেটের বড় হার নিয়ে শেষ করতে হল এই ম্যাচ। সেই সাথে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিজেদের করে নিল স্বাগতিকরা।

৬ আগস্ট ২০০৬ জিম্বাবুয়ের সাথে একদিনের ম্যাচ দিয়ে বাংলদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে যাত্রা শুরু। একে একে কেটে গেছে ৯ বছর। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানের প্রতীক। নামের সঙ্গে ট্যাগ হিসেবে তাই এখন মিস্টার ডিপেনডেবল। শুধু ব্যাটিং না উইকেটের পেছনেও ভরসার প্রতীক মুশফিক।

২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এশিয়া কাপে নিজেদের সেরা সাফল্যে রানার্সআপ হয়। টেস্ট ক্রিকেটে মুশফিকের অধিনায়কত্বেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে। দেশের ক্রিকেটের বিপ্লব থেকে শুরু করে ৯ বছরের ক্রিকেট যাত্রায় মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ দুই দিকই দেখেছেন মুশফিক।

ডাবল ক্লাবে বাংলাদেশের মাশরাফিই প্রথম। গত ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে দুইশ ওয়ানডের মাইলফলকে নাম লেখান টাইগার অধিনায়ক। দলের অন্য সিনিয়রদের মধ্যে মাহমুদউল্লাহ খেলে ফেলেছেন ১৬৯ ওয়ানডে। তার থেকে খানিকটা এগিয়ে তামিম ইকবাল ১৮৭ ওয়ানডে। চোটে বাইরে থাকা সাকিব আল হাসানও আছেন ডাবল ক্লাবে নাম লেখানোর খুব কাছে, তার নামের পাশে ১৯৫ ওয়ানডে খেলার কীর্তি। আর দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা মোহাম্মদ আশরাফুল আছেন ১৭৭ ওয়ানডে নিয়ে।

আজকের পত্রিকা/এসএমএস/এআরকে