প্রতীকী ছবি

দাম্পত্য কলহের জের ধরে পুরুষাঙ্গ কর্তন করে স্বামীকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে নাটোরের গুরুদাসপুরে স্ত্রী রুমির বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রুমিকে আটক করেছে। ১২ জানুয়ারি শনিবার ভোরে মশিন্দা মাছপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত কাবিল বিশ্বাস পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার ধানকুড়িয়া গ্রামের নরশেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। রুমি খাতুন গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা মাঝপাড়া গ্রামের মকছেদ আলীর মেয়ে।

গুরুদাসপুর থানার উপ-পরিদর্শক ময়েজ উদ্দিন ও রুমি খাতুনের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৪ মাস আগে কাবিল হোসেনের সাথে ও রুমি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই কাবিল হোসেন যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে স্ত্রীর ওপর যৌন নির্যাতন চালাতে থাকে। এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এক পর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত দুই সপ্তাহ আগে রুমি খাতুন তার পিত্রালয়ে চলে আসে।

এর আগে ১১ জানুয়ারি শুক্রবার কাবিল হোসেন মাশিন্দা মাঝপাড়া গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে আসে। রাতে পুনরায় যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে যৌন নির্যাতন শুরু করলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে ভোরে স্ত্রী রুমি খাতুন ধারালো হাসুয়া দিয়ে স্বামী কাবিল বিশ্বাসের পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কাবিল হোসেনের মৃত্যু হয়।

সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।

আজকের পত্রিকা/পরিতোষ অধিকারী/১২/০১/২০১৯