কান। প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়ায় এক নারীর কান ছিঁড়ে নিয়েছে প্রতিবেশী দেনাদার। ভুক্তভোগী নারী পাওনাদারের নাম শিখা খাতুন (৪৫)।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত শিখা খাতুনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ২৫ মে শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গফরগাঁও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত শিখা খাতুন রবিবার দেনাদারের বিরুদ্ধে গফরগাঁও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের গফরগাঁও গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে আব্দুল বাতেন প্রতিবেশী শিখা খাতুনের মেয়ে আকলিমার কাছ থেকে প্রায় ৫ মাস পূর্বে ১৫ দিনের কথা বলে পাঁচ হাজার টাকা ঋণ নেয়। কিন্তু আব্দুল বাতেন যথা সময়ে টাকা ফেরত না দিয়ে ঘুরাতে থাকেন।

এ অবস্থায় শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিখা খাতুন তার মেয়ে আকলিমাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশে বিদ্যালয় মাঠে দেনাদার আব্দুল বাতেনকে পেয়ে পাওনা টাকা চাইলে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।

এক পর্যায়ে অভিযুক্ত দেনাদার আব্দুল বাতেন ও তার আত্মীয় আব্দুর রশিদ শিখা খাতুন ও তার মেয়ে আকলিমাকে মারধর করেন। এ সময় বাতেন ও রশিদ ভুক্তভোগী শিখা খাতুনের কানের দুল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে শিখা খাতুনের কানের লতি ছিঁড়ে জখম হয়। পরে ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে শিখা খাতুনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস/জেবি