২০১৯ সালেও ১৩ ফেব্রুয়ারি ছিল পহেলা ফাল্গুন। বসন্ত বরণ উৎসবে মেতে উঠেছিল গোটা জাতি।

বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের মাঝে এ দিনটি তৈরি করতো বাড়তি উন্মাদনা।

রঙ-বেরঙের পোশাকে ফুলেল সাজে সেজে ওঠতো নারীরা। পুরুষরাও পিছিয়ে থাকতো না। এই ছিল মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তের বসন্ত বরণের চিত্র।

কিন্তু এবার সেই উৎসবে ভাটা পড়েছে। কারণ বাংলা বর্ষপঞ্জি সংশোধন করা হয়েছে।

এখন থেকে বসন্ত বরণ ১৪ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে আবার আরকে উৎসব- ভ্যালেন্টাইনস ডে।

বিগত বছর মন্ত্রিপরিষদের সভায়, ২০২০ সালের সরকারি ছুটির তালিকার অনুমোদন দেওয়া হয়। ৩০ অক্টোবর ছুটির তালিকা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এতে, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরের মতো ঐতিহাসিক দিবসগুলোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে সংশোধন আনা হয়েছে। এক্ষেত্রে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীও বিবেচনায় আনা হয়েছে।

সংশোধিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, বাংলা বৈশাখ থেকে আশ্বিন পর্যন্ত প্রথম ছয় মাস ৩১ দিন, কার্তিক থেকে মাঘ মাস ৩০ দিন এবং ফাল্গুন মাস ২৯ দিন ধরে গণনা করা হবে।

তবে গ্রেগরীয় পঞ্জিকার অধিবর্ষে ফাল্গুন মাস ২৯ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন গণনা করা হবে। সে হিসেবে পহেলা বৈশাখ আগের মতোই ১৪ এপ্রিল থাকবে। আর বসন্তের প্রথম দিন ধরা হচ্ছে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে।

আগে উৎসব ছিল পরপর দুই দিন।