যুবলীগ নেতা শামীম ও তার দেহরক্ষীরা। ছবি: সংগৃহীত

যুবলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে ঠিকাদারি চালিয়ে আসা গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের বিরুদ্ধে পৃথক ৩টি মামলা দিয়ে তাকে রাজধানীর গুলশান থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে র‌্যাব।

২১ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরের পর জি কে শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় নিয়ে যান র‌্যাব সদস্যরা। সেখানে তাদের রাখা হয়েছে থানা হাজতে।

গুলশান থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি ) কামরুজ্জামান বলেন, র‌্যাব ৩টি অভিযোগ দিয়েছে। এরমধ্যে একটি মাদক বিরোধী আইনে, একটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এবং আরেকটি অস্ত্র আইনে।

এসব মামলার আসামি হিসেবে জি কে শামীমসহ ৮জনকে রিমান্ডে চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

জি কে শামীম

শুক্রবার গুলশানের নিকেতনে শামীমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে নগদ ১০ কোটি টাকা, পৌনে দুইশ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ পাওয়ার কথা জানায় র‌্যাব। তখন শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জুয়ার আখড়া বন্ধে অভিযানের মধ্যে শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি যুবলীগ পরিচয় ব্যবহার করলেও যুবলীগের শীর্ষনেতাদের দাবি, শামীম সংগঠনের কোনো পদে ছিলেন না।

শামীম রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত। গণপূর্ত ভবনে ঠিকাদারি কাজে তার দাপটের খবর ইতোমধ্যে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।

র‌্যাব সদর দপ্তর, সচিবালয় ও কয়েকটি হাসপাতালের নতুন ভবনসহ অন্তত ২২টি নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজ এখন শামীমের প্রতিষ্ঠান জি কে বিল্ডার্সের হাতে রয়েছে। এসব প্রকল্পে বরাদ্দের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা।

আজকের পত্রিকা/কেএফ