৬ অক্টোবর রবিবার ভোরে বাংলাদেশে ক্যাসিনো ব্যবসার মূল হোতা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট আটক হওয়ার পর সংগঠনটির চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর দেশত্যাগের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

সরকারের অনুমতি ছাড়া যুবলীগের চেয়ারম্যান দেশত্যাগ করতে পারবেন না, এমনই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সীমান্তে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। এ কারণে সীমান্তে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতকর্তাও।

যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও নেপালের নাগরিকরা যাতে কোনোভাবেই দেশ ত্যাগ করতে না পারেন সে জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের নাম, ঠিকানা যাচাই ও পাসপোর্টের সঙ্গে তাদের ছবি মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। জাল পাসপোর্ট যাতে ব্যবহার করতে না পারেন সে জন্য যাত্রীদের হাতের ছাপ ও ছবি তুলে রাখা হচ্ছে।

এর আগে ৩ অক্টোবর ওমর ফারুক চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ব্যাংক। একাধিক সূত্রে জানা যায়, ক্ষমতাসীন দলের যুব সংগঠনের শীর্ষ পদ পাওয়ার পর থেকেই ওমর ফারুকের ভাগ্য বদলে যায়। তিনি এখন ধনাঢ্য জীবন যাপন করছেন। যদিও তার দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন ওমর ফারুক। এর আগের কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আর ২০১২ সালে হন চেয়ারম্যান। এরপর থেকে যুবলীগে তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। যুবলীগের ইতিহাসে তিনি সবচেয়ে বেশি বয়সী চেয়ারম্যান। বর্তমানে তার বয়স ৭১ বছর।

আজকের পত্রিকা/সিফাত