মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে যাত্রীবোঝাই লঞ্চের ধাক্কায় বালুবাহী বাল্কহেড ডুবে তিন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে।

রবিবার ভোর সোয়া ৫ টার দিকে গজারিয়া কোষ্টগার্ড ষ্টেশন সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এমিভ কীর্তনখোলা-২ লঞ্চের ধাক্কায় এমভি নাদিয়া নামে বাল্কহেড ডুবে যায়। এতে ইমাদুল (৩৮) ও আসলামসহ (২৪) বাল্কহেডের তিন শ্রমিক নিখোঁজ হয়।

কোষ্টগার্ড, নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে মেঘনা নদীতে উদ্ধার অভিযানে নেমেছে।

এ ঘটনায় ঢাকার সদরঘাট থেকে কীর্তনখোলা-২ লঞ্চের চালক শহীদুল ইসলামসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গজারিয়া কোষ্টগার্ডের পেটি অফিসার আব্দুস সামাদ।

তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাতে মেঘনা নদীতে কোষ্টগার্ড অভিযান চালিয়ে চলাচলে নিষিদ্ধ পাঁচটি বাল্কহেড আটক করে। আটককৃত বাল্কহেড গুলো
গজারিয়া কোষ্টগার্ড ষ্টেশনের সামনে মেঘনা নদীতে নোঙরে রাখা হয়।

শনিবার ভোরের দিকে ঘন কুয়াশার কবলে ঢাকার সদরঘাটগামী কীর্তনখোলা-২ নামে লঞ্চের ধাক্কায় নোঙরে থাকা নাদিয়া নামে একটি বাল্কহেড ডুবে যায়। তাৎক্ষনিক নিজাম (৩০) নামে এক শ্রমিককে
জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে কোষ্টগার্ড সদস্যরা। তবে বাল্কহেডের তিন শ্রমিক নিখোঁজ থাকে।

-মঈনউদ্দিন সুমন