হত্যায় জড়িত আটক ৪ যুবক।

যশোর শহরতলীর শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার আবদুল্লাহ আল মামুন নিহতের ঘটনায় তার মা বকুল খাতুন ৯ জনের নামে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত চার জনকে গ্রেফতার করেছে। একই সাথে হত্যার কারণ উদঘাটন করে প্রেস ব্রিফিং করেছে। ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বিফ্রিং করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনসার উদ্দিন। ৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার খুন হন মামুন। আহত হন নারীসহ আরও দুই জন। নিহত মামুন যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের মৃত আবদুর রবের ছেলে।

প্রেস বিফ্রিংয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনসার উদ্দিন জানান, মামুন হত্যার ঘটনায় মা বকুল খাতুন কোতোয়ালি থানায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এরমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা হলো যশোর শহরের ঘোপ এলাকার আবদুস সবুর খোকার ছেলে সুজন ওরফে ছোট সুজন (১৬), সদর উপজেলার শেখহাটি খাঁপাড়া এলাকার তাজু শেখের ছেলে তামিম রেজা (১৮), সদরের শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার রেজাউলের ছেলে ফয়সাল (১৬) ও হারুন শেখের ছেলে সুমন (১৬)। বাকি ৫ আসামি হলো শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার সাগর (১৬), ইমন (১৬), মঞ্জিল (১৭), হৃদয় (১৮) ও খানজাহান (১৮)।

বিফ্রিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেল গোলাম রব্বানী বলেন, যশোর শহরতলীর শেখহাটি জোড়া পুকুর এলাকায় বাপ্পা নামের এক যুবক বান্ধবীকে নিয়ে ঘুরতে যান। সেখানে ফয়সাল, সাগর ও হৃদয় নামে কয়েকজন যুবক তাকের আটকে ব্লাকমেইল করে। তারা টাকা দাবি করে। বিষয়টি ফোনে তার বন্ধুদের জানায়। তারা সেখানে গিয়ে সাগরকে মারতে গেলে তার মা শেফালি বেগম ঠেকাতে গিয়ে ছুরিকাহত হন। এরপর সাগরের সঙ্গীরা বাপ্পার বন্ধু মামুন ও আরিফকে ছুরিকাঘাত করে। এদের মধ্যে মামুন মারা যান। আরিফকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

এইচ আর তুহিন/যশোর