ডাকাতির দায়ে আটক কয়েকজন।

আইনী জটিলতায় যশোরে ডাকাতি থামানো যাচ্ছে না। একের পর এক ডাকাতির ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। ডাকাতদের বিপরীতে পুলিশও করছে ‘কুইক রেসপন্স’। ধরাও পড়ছে ডাকাতদল। কিন্তু আদালতের মাধ্যমে জামিনে তারা বেরও হয়ে আবার শুরু করছে সিরিজ ডাকাতি।

বৃহস্পতিবার যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক নিজ কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার গভীররাতে ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের রাজাপুর, চাঁপাতলা ও বর্ণী গ্রামের চারটি বাড়িতে ডাকাতদল হানা দেয়। তারা অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশগুরুত্বপূর্ণ সকল পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযানে নামে। ফলও মেলে ২৪ ঘণ্টায়। ধরা পড়ে ৪ ডাকাত।

এরা হলেন- ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার মানিকদি গ্রামের গোপাল ম-লের ছেলে লাল্টু, নাটোরের রেলস্টেশন এলাকার বলাই ম-লের ছেলে আবু বক্কর, যশোর শহরতলীর ভাতুড়িয়ার হাসেম বাঙ্গালের ছেলে মহসিন ও কেশবপুর উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামের মোসলেম সর্দারের ছেলে শাহিন।

তাদের কাছ থেকে প্রায় বিশ হাজার টাকা, একজোড়া বালা এবং ব্যবহৃত মোবাইল ও দা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, এরা আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য। এদের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এরা কখনোই একই দলভুক্ত থাকে না। অল্পদিনে দল পাল্টায়। আবার দলের সবাই সবাইকে সবসময় চেনেও না। একাধিক দল একসাথে ডাকাতি করতে নেমেও ঘটনাচক্রে তাদের পরিচয় হয়।

জেলখানায় বন্দি অবস্থায়ও তারা পরস্পরের সাথে পরিচিতি হয়ে মুক্তির পর বেরিয়ে এসে একইদলেও কখনও কখনও যুক্ত হয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আটকের পর জামিনে বের হয়ে এসে এরা আবার একই অপরাধ সংঘটিত করে।

প্রেসব্রিফিং এ আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিকদার সালাউদ্দিনসহ কর্মকর্তাবৃন্দ।

এইচ আর তুহিন/যশোর