দাঁতাল বাবু

হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকসহ ১৮ মামলার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাইদুজ্জামান বাবু ওরফে দাঁতাল বাবুকে আটকের কথা পুলিশ স্বীকার করেছে।

পুলিশ বলেছে যশোর শহরতলীর আরবপুর এলাকার মৃত হাসেম আলীর ছেলে সাইদুজ্জামান বাবু ওরফে দাঁতাল বাবুকে আরবপুর রোডস্থ একটি কোকারাইজের দোকানের সামনে থেকে আটক করা হয়।

তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা। এঘটনায় কোতয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এদিকে বাবুর স্ত্রী আজমীরা খাতুন জবা বলেছে, পুলিশ দিনে দুপুরে অস্ত্র উচিয়ে বাবুকে আরবপুরের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়।

কোতয়ালি থানার ওসি সমীর কুমার সরকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বুধবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টায় আরবপুর সড়কের মেসার্স রহিমা কোকারাইজ দোকানের সামনে থেকে সাইদুজ্জামান বাবু ওরফে দাতাল বাবুকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি ওয়ান সুটার গান এক রাউন্ড গুলি ও ১ শ পিচ ইয়াবা।

ওসি বলেন, বাবু ওই কোকারাইজের দোকানের সামনে অপরাধ সংগঠনের জন্য পরিকল্পনা করছিল। অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় কোতয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়। মামলার বাদি কসবা ফাঁড়ির এস আই আবুল হাসান।

এস আই আবুল হাসানের কাছে সাইদুজ্জামান বাবু ওরফে দাঁতাল বাবু আটকের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, থানায় এসে তথ্য নিয়ে যান। আমি এজাহার না দেখে কিছু বলতে পারবো না। মামলা নং যথাক্রমে ২৬ ও ২৭। তারিখ ০৮.০৮.১৯।

পুলিশ জানায়, বাবুর নামে যশোর কোতয়ালি থানায় দুটি হত্যা, বিস্ফোরক, মাদক ও চৌগাছা থানায় অস্ত্র মামলাসহ ১৮ টি মামলা রয়েছে।

এদিকে সাইদুজ্জামান বাবুর স্ত্রী আজমীরা খাতুন জবা জানান, বুধবার সকাল ১১ টার দিকে একটি গাড়িতে করে সাদা পোষাকে পুলিশ পরিচয়ে একদল লোক অস্ত্র উচিয়ে বাড়িতে ঢুকে বাবুকে তুলে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার কারন জানতে চাইলে তারা বলেন, ওয়ারেন্ট আছে। এরপর কোতয়ালি থানা, ডিবি অফিসে খোজ করলে বাবুকে আটকের কথা কেউ স্বীকার করে না।

এ ঘটনার ২৮ ঘন্টা পর পুলিশ বাবুকে আটকের কথা স্বীকার করলো।

ইয়ানূর রহমান/যশোর