বিড়ি শ্রমিকদের অবরোধ।

প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি শিল্পের উপর অধিক হারে করারোপ প্রত্যাহারসহ ‘সম্পূরক শুল্ক’ কমিয়ে বিড়ির মূল্য ১৪ টাকা থেকে ১০ টাকা নির্ধারণ এবং বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষনাসহ আট দফা দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দুই ঘন্টা অবরোধ করে রাখে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখা ও বৃহত্তর বিড়ি ভোক্তা পক্ষ ময়মনসিংহ অঞ্চলের শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে বিড়ি শ্রমিকরা বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে মিছিল সহকারে বাইপাস সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নগরীর দীঘারকান্দা বাইপাস মোড়ে মানববন্ধন কর্মসুচী পালন ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে। ওই কর্মসূচী চলাকালে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বাইপাস মোড়ের চারদিকে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

কর্মসূচী চলাকালে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক মাহাবুব ও কার্যকরী সদস্য আইয়ুব আলীসহ বিভিন্ন নেৃতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

এসময় বক্তারা বলেন, ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ির ওপর অযৌক্তিকভাবে কম দামি সিগারেটের চেয়ে চারগুণ বেশি অর্থ্যাৎ ২৪.২০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে কম দামি সিগারেটে ৫.৭১ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিড়ির সম্পুরক শুল্ক ৫% বৃদ্ধি করা হলেও বহুজাতিক কোম্পানীর সিগারেটের সম্পুরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়নি।

শ্রমিক নেতৃবৃন্দ আরো বলেন,‘বিড়ির দাম ১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ টাকা নির্ধারণ, “সম্পূরক শুল্ক” কমিয়ে ভারতের ন্যায় প্রতি হাজারে ১৪ টাকা ধার্য্য করা, সিগারেটের সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি, বিড়ির ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর বাতিল, বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বিড়ি শিল্পকে অবিলম্বে কুটিরশিল্প ঘোষণা, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের সমান মূল্য নির্ধারণ, উচ্চস্তরর সিগারেটের মূল্য ও সম্পূরক শুল্ক অধিক হারে বৃদ্ধি এবং বিড়ি শ্রমিকদের নূন্যতম মুজুরী প্রতি হাজারে ১শ’ টাকা নির্ধারণসহ এই আট দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন বক্তারা।’

আজকের পত্রিকা/আরবি/এমএআরএস