তিন বছরেরও লিখিত ও ভাইবা পরীক্ষা না নেওয়া সারা দেশে ফুঁসে উঠছেন শিক্ষানবীশ আইনজীবিরা।

তারা রাজধানীসহ দেশের প্রতি জেলায় মানববন্ধন কর্মসুচি পালন ও জেলা প্রসাশকের মাধ্যমে প্রথানমন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সামনে এমসিকিউতে উত্তীর্ণ হওয়া মৌলভীবাজার বারের শিক্ষানবীশ আইনজীবিরা মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষানিবীশ আইনজীবি তানিম আফজাল, ভাষকর পুরকায়স্ত, সুজন বিশ্বাস, রুবেল আহমদ, শাহ লিংকন, জামাল আহমদ, ওয়াহিদুল ইসলাম রাহুল, এস এম বাবুল, তপন দেব, মিনহাজুল ইসলাম, পংকজ দেব ও সুকায়েল খাঁন প্রমুখ।

আইনজীবিরা জানান, তারা ১০ বছর, ৭বছর, ৫ বছর পূর্বে দেশের বা বিদেশের সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রী অর্জন করলেও তারা দূর্ভাগ্য বশত: বার কাউন্সিলের নিবন্ধন পেতে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে তারা সিনিয়র আইনজীবিদের সহচর্য়ে থেকে অত্যন্ত স্বপ্ল পারিশ্রমে কাজ করছেন।

বিশ্ব মহামারীর এই সংকটময় মুহুর্তে তারা অত্যান্ত মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিবন্ধন না থাকায় তারা সকল প্রকাশ আর্থিক, মানবিক ও আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ইতিহাসে ২০১২ সালের পুর্বে প্রতি বছর ২ বার ৬ মাস পর পর নিবদ্ধন পরীক্ষা হত এবং কখনো কখনো মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই পূর্বক আইনজীবি তালিকাভুক্ত করা হতো।

বর্তমানে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তনের কারণে পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ করতে ২/৩ বছর চলে যায়। একই সাথে ৩/৪ বছর পরপর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এ অবস্থায় এবং দীর্ঘ সময় তালিকাভুিক্ত পেতে অনেকের জীবনে মুল্যবান সময় হারিয়ে যায় এং এ পেশা থেকে হারিয়ে যায়।

তারা আরো বলেন ২০১৭ সালে এমকিইউ পরীক্ষা উর্ত্তীন হয়ে আজ ৩ বছর ধরে লিখিত ও ভাইবার জন্য অপেক্ষা করছেন। এ অবস্থা পরিবর্তনের জন্য তারা দেশে প্রধানমন্ত্রী সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

এর জন্য তারা এর গত ৯জুন প্রধানমন্ত্রী সুদৃষ্টি কামনা করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন এবং সারা দেশে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেন।

  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares