নতুন বউ। প্রতীকী ছবি।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেছেন তানজিনা আক্তার সাথী (১৮) নামের এক কিশোরী। মৃত সাথী উপজেলার রাজাপুর পাইকোডা ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সে আবদুল মতিন খসরু ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যায়নরত ছিল।

মাত্র দু’মাস আগে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের মল্লিকাদীঘি এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে পুলিশ কন্সটেবল জুম্মান খানের সাথে বিয়ে হয় তার। বর্তমানে তিনি বরিশাল কর্মরত আছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ৩ মে শুক্রবার রাতে তার স্বামীর সাথে তার ফোনে কথা কাটাকাটি হয়, এরই জের ধরে রাতের কোনো এক সময় ওড়না সিলিং এর সাথে পেঁচিয়ে ঝুলে পড়ে সাথী। সকালে তার কোনো সাড়া না পেয়ে তার ঘরে গিয়ে তাকে ওড়নার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। পরে তার পরিবারের লোকজনের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে বুড়িচং থানার এস আই রাজীব কর ও এ এস আই কালাম ঘটনাস্থলে যান। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘খবর শুনে আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় নি। এ বিষয়ে বুড়িচং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ কন্সটেবল ও সাথীর স্বামী জুম্মান খানের সাথে কথা বলা জন্য একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি।

মাছুম কামাল/কুমিল্লা মহানগর/এমএআরএস