বুকিশ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে মঈন উদ্দিনের উপন্যাস বই ‘রসুন চাষের ঘটনাবলী।’ এটি লেখকের প্রথম উপন্যাস। পাঁচ ফর্মার ছোট এই উপন্যাসটি মেলার প্রথম থেকেই পাওয়া যাবে।

বিয়ের পর স্কুল শিক্ষিকা ঝিনুকের যৌন জীবনে কী কী জটিলতা আসে, তা এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু। উপন্যাসে তিনটা খুন দেখা যাবে, যাকে বলে একেবারে ঠাণ্ডা মাথার খুন। আর এসব হত্যার ঘটনাকে ঘিরে আরও আরও ঘটনা একের পর এক ঘটতে থাকবে। উপন্যাসটিতে যৌনতা, জীবনকে বিভিন্ন পেশার মানুষের বিভিন্ন রকমভাবে দেখার বিষয়, নারীদের মেনোপজকালীন সাইকোলজি, ক্রাইম সাইকোলজি, সাসপেন্স, ইকোনমিকাল ক্রাইসিসসহ জীবনের নানা জটিলতা দেখা যাবে।

বইটির ব্যাপারে প্রকাশক সোহাগ আহমদ বলেন, ‘জানুয়ারির বিশ/পচিশ তারিখের মধ্যে ছাপাছাপির সব কাজ শেষ হবে। উপন্যাসের প্রচলিত ফর্ম ভেঙে রাইটারের অন্য রকম ভাবে গল্প বলার ধরণটা খুবই ভাল লেগেছে আমার।’

বইটির লেখক মঈন উদ্দিন বলেন, ‘এমনেই ফিকশান লেখতেছিলাম। তো কিছুদূর আগানোর পর ফিকশনের উপর আর আমার নিয়ন্ত্রণ রইলো না। ক্যারাকটারগুলা নিজের মত কইরাই স্প্রেড হচ্ছিল। তো একদম যে নিয়ন্ত্রণ হারাইয়া উপন্যাস লেইখা ফেলছি ব্যাপারটা এমনও না। ফিকশন লেখা বেশ পরিশ্রমের। মাটি-কাটার মতই কঠিন কাজ একচুয়ালি। একটু অন্যমনস্ক হইলে ফিকশানের ক্যারাকটারগুলাই রাইটারের সাথে বিট্রেই করে, সুযোগ পাইলে জুলুম আর বেঈমানি তো করেই। ‘রসুন চাষের ঘটনাবলী’ উপন্যাস আমি একটানা লেখছি, পড়তে গেলেও এক বসায় পইড়া ফেলতে পারার কথা, ছোট উপন্যাস। লেখতে লেখতে একটা সময় ক্যারেকটারগুলা আমারে ডিস্টার্ব করা শুরু কইরা দিল। ডিস্টার্ব বলতে স্বপ্নে আইসা হাউকাউ করা স্টার্ট দিল। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে সাডেনলি সামনের মানুষটারেই ফিকশনের লোক মনে হইতে থাকলো। তাই তাড়াতাড়ি লেখা ইস্তফা দিয়া বই কইরা ফেলার ডিশিসন নিই।’

বইটির পরিবেশক চন্দ্রবিন্দু প্রকাশন। প্রচ্ছদ করেছেন রাজীব দত্ত। বইমেলার ৬০৭ নাম্বার স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও প্রকাশনা সংস্থা বুকিশের ফেসবুক পেইজে যোগাযোগ করে সংগ্রহ করা যাবে।

আজকের পত্রিকা/সিফাত