মঞ্জিল মিয়া

মৃত্যূর পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গ্রহণ না করা প্রসঙ্গে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেছেন বানিয়াচং থানার সাগড় দিঘি দক্ষিণপাড় গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জিল মিয়া।

রাষ্ট্রীয় সম্মান না নেওয়ার কারন খুজতে গেলে তার লিখিতভাবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, ১৯ নভেম্বর বেলা ১১ টার দিকে গ্যানিংগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসলে সেখানে উৎসুক জনতা ভীড় জমাতে থাকে৷

এমতাবস্থায় প্রশাসনের নির্দেশে সবাইকে সরে যেতে বল্লে অনেকেই না গেলেও তাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধার অল্প বয়সী সন্তান।

ভ্রাম্যমাণ আদলতের গুরুত্ব না বুঝায় এবং উক্ত স্থান ত্যাগের নির্দেশনা না মানায় এই ছেলে ১৫ দিনের জন্যে কারাবাসের তাৎক্ষণিক আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মতিউর রহমান সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতি এবং এই আদেশ শুনা মাত্র ভ্রাম্যমাণ আদালতের স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জিল মিয়া উপস্থিত হয়ে তার ছেলের ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্পর্কে জ্ঞাতসার না হওয়ায় এবং ছেলে ভুল বাবা হিসেবে স্বীকার করে নেওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এর ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মতিউর রহমান বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন সেই সাথে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিলে ম্যাজিস্ট্রেট আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে উপস্থিত শতাশত মানুষের মাঝে লাঞ্চিত করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখিত বিষয়টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জিল মিয়া তার নিজের আত্মসম্মানহানী হয়েছে বলে মনে করায় তিনি মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন।

প্রকারান্তরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জিল মিয়ার সাথে এ ব্যাপারে কথা বলা হলে তিনি জানান, বেচে থেকে যদি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অসম্মান জানানো হয় পরিচয় দেওয়ার পরেও। তাও আবার সরকারি একজন কর্মকর্তা এই অপমান অপদস্ত করেন তাহলে আমার মৃত্যুর পর কেনই বা আমি এই রাষ্ট্রীয় সম্মান নিবো। এই সম্মান আমার দরকার নাই তাই বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করে আমার কথা আমি জানিয়েছি।

এদিকে জেলা প্রশাসক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।