মৃগী রোগে আক্রান্ত রোগী। ছবি : সংগৃহীত

মৃগী নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক রোগ যাতে খিঁচুনি হয়। এই রোগের প্রকৃত কারণ জানা না গেলেও মস্তিষ্কে আঘাত, স্ট্রোক, মস্তিষ্কে টিউমার বা সংক্রমণ, জন্মগত ত্রুটি প্রভৃতিকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

মৃগী বা এপিলেপসি হলো মাথার একটি রোগ, যেটি রিকারেন্ট খিচুনির মাধ্যমে চিহ্নিত করা যায়। এই মৃগী নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কারের কমতি নেই। সবচেয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো হলো-

১) মৃগী অশরীরী আত্মার আক্রমণের কারণে হয়। তাই রোগীকে গনকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় ভূত তাড়াতে।

২) তীব্রভাবে যখন খিঁচুনি ওঠে যায় তখন তা বন্ধ করতে স্যান্ডেল, পেঁয়াজ, লোহার টুকরা কিংবা চাবি ব্যবহার করা হয়। এবং গরম সুঁচ কিংবা লোহার রড দিয়ে চামড়া পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

৩) কোনও পরিবারের সদস্যের মৃগী হলে সেই পরিবারে কলঙ্কের ছায়া পড়ে, তাই তা গোপন রাখা হয়।

৪) মৃগী হলো এক ধরনের পাগলামি, যা চিকিৎসা করতে পাগলাগারদে যাওয়া উচিত।

৫) ভারতের কিছু সম্প্রদায় বিশ্বাস করে, বারবার খারাপ কাজ বা পাপ করলে মৃগী শাস্তি হিসেবে দেখা দেয়। সারা বিশ্ব জুড়ে প্রায় ৭০ মিলিয়ন মানুষ এপিলেপসিতে আক্রান্ত, ফলে এটি বিশ্বব্যাপী এক অতি সাধারণ নিউরোলজিকাল রোগ হিসেবে পরিচিত। তাই মৃগী নিয়ে কুসংস্কারে ডুবে থাকলে রোগীর ক্ষতি ছাড়া ভালো কিছু হবে না।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/