যৌতুকের ৫লাখ টাকা দিতে না পারায় এক গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাত পা বেধে ফিনাইল খাওয়ানো, হাতের নখ উপড়ে নেওয়ার মতো নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীসহ শশুর বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে।

নির্যাতন সইতে না পেরে শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে শশুড় বাড়ির সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায়।

এরপর মেয়েটি নিজ পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে শনিবার বিকালে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদরের কাজিরকসবা গ্রামে গৃহবধূর আখি আক্তার লাবনী ও রফিকুল ইসলাম হৃদয়ের এক বছরের সংসার।

এই ঘটনায় ১৩জানুয়ারি আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামী হৃদয়, শশুর রুহুল আমিন ভূঁইয়া, শাশুড়ি শান্তি বেগম, দেবর রিফাত ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।

লাবনী সুখবাসপুর গ্রামের মোঃ রহিম শেখের মেয়ে। সে সরকারি রামপাল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

স্বজনরা জানান, বিবাহের এক বছরের মধ্যে পরিবারে নেমে আসে অশান্তি। শশুর বাড়ির সদস্যরা যৌতুকের কারনে মেয়েকে নানাভাবে নির্যাতন করতো। অত্যাচারে চোখে দেখতে পারছে না মেয়েটি। গেল বছরে দুইবার শশুর বাড়ির লোকজন হাত পা বেধে ফিনাইল খাইয়ে নির্যাতন করে তাকে।

একাধিকবার মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও হাতের নখ উঠিয়ে নেওয়ার মতো নির্যাতন করেছে শশুর বাড়ির লোকজন।

নির্যাতনের ব্যাপারে পরিবারের লোকজনকে কিছুই বলতো না মেয়েটি।

স্থানীয় থানায় মামলা না নেওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শশুড় বাড়ির লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে মেয়ের পরিবারের লোকজন মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।