এই মুহূর্তে সৌদি রাজ পরিবারের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি মোহাম্মদ বিন সালমান। বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের পর রাজতন্ত্রের পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে তাকেই বিবেচনা করা হয়। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনিই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। সালমানের কারণেই কট্টরপন্থি সৌদিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সৌদি নারীদের উপর থেকে নানা ধরনের কট্টর বিধি-নিষেধ উঠিয়ে নেওয়ার পেছনেও তার যথেষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে।

তবে সালমানের নানা সিদ্ধান্তে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে খোদ সৌদি রাজপরিবারেই। গত সেপ্টেম্বরে সৌদির দুটি গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্রে হামলার ঘটনাকে ভালো চোখে দেখেনি রাজপরিবারের সদস্যরাসহ তাদের বেশকিছু ব্যবসায়িক মিত্ররা। এর আগে সৌদিতে সাধারণত এত বড় হামলার ঘটনা ঘটেনি। বিশেষ করে তেলনির্ভর সৌদির অর্থনীতির একটি বড় অংশই তাদের তেলক্ষেত্রের ওপর নির্ভরশীল। ওই হামলার পর সৌদির তেলের যোগান কমে যাওয়ায় বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।

ওই হামলার পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রফতানিকারক দেশটির নেতৃত্ব ও নিরাপত্তা প্রদানে ক্রাউন প্রিন্স সালমানের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ পরিবারের সদস্যরা। ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্ব নিয়ে তাদের অনেকেই বিরক্ত।

আবার কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, সালমান ইরানের বিরুদ্ধে খুব বেশি কঠোর অবস্থানে চলে গেছেন। এমন গুঞ্জনের মধ্যে সালমানের বড় ভাই প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজকে তার বিকল্প হিসেবে দেখছেন রাজপরিবারের বেশ কিছু সদস্য। রাজপরিবারের অনেক সদস্যই মনে করেন একমাত্র আহমেদ বিন আবদুল আজিজই তাদের এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে পারেন।

আজকের পত্রিকা/সিফাত