মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

বাজারে অনেকদিন ধরেই লাভেলো আইসক্রিম তাদের বিপনন শুরু করেছে। মানুষের কাছে এই আইসক্রিম বেশ সাড়াও ফেলেছে। কোয়ালিটির দিক দিয়ে দেশের অনেক আইসক্রিমের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। বরং অনেকের চেয়ে এগিয়েই রয়েছে এমন কথাই বললেন কোম্পানিটির এসিস্টেন্ট ম্যানেজার তানিম আল হোসাইন।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্যমেলার লাভেলো স্টলের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

লাভেলো নামটিও অনেক লোভনীয় সুন্দর নাম। নামের মতোই সুন্দর তাদের আইসক্রিম। বনানীতে রয়েছে লাভেলো আইসক্রিমের দেশের সবচেয়ে বড় আইসক্রিম পার্লার। সেখানে প্রায় ৬০/৭০ জন আইসক্রিম প্রেমী একসঙ্গে বসে আইসক্রিমের স্বাদ উপভোগ করতে পারেন।

স্টল থেকে আইসক্রিম কিনছিলেন মুনা হোসাইন। তিনি বলেন, ‘লাভেলো আইসক্রিম আমার ফেভারিট, তাই সব সময় এ্টাই আমি খাই।’

এবার মেলায় লাভেলো এসেছে তাদের আইসক্রিমের প্রমোশনের জন্য। লাভের জন্য নয়। যে টাকা খরচ হবে মেলায় তার ৩০ শতাংশও পূরণ হবে না বলে জানিয়েছেন লাভেলোর এক্সিকিউটিভ এক্টিভিশন রফিকুল হাসান। তবুও মানুষের কাছে তাদের পণ্যের প্রচারের উদ্দেশ্যেই মেলায় আসা এমনটাই বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক আইসক্রিম ভোক্তাদের মাঝে পপুলার হয়ে গেছে। আমরা বাণিজ্যমেলায় এই স্টলেই কোনের ওয়াফেলটি তৈরি করে দিচ্ছি, যা অন্যকোন কোম্পানির আইসক্রিমের স্টলে পাওয়া যাবে না। আমাদের আইসক্রিমের প্রাইজ -স্টিক আইসক্রিম ১৫ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। সব ধরণের মানুষের কেনার সামর্থের কথা বিবেচনা করে আমরা এই দাম নির্ধারণ করেছি। এছাড়াও আমাদের পার্লার আইসক্রিম শুরু হয়েছে মাত্র ১৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। যার মূল্য বাজারের অন্য কোম্পানির চেয়ে কম।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের বাণিজ্যমেলায় লাভেলো আইক্রিমের আনুষ্ঠানিক বিক্রয় শুরু হয়।