রোহিঙ্গা নারীকে জন্মসনদ প্রধান করার অভিযোগে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার উপজেলার দিঘুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমানকে জামিন না দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

মানিকগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদলতের বিচারক মমতাজ বেগম বুধবার বিকেলে তার জামিন মঞ্জুর না করে কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।

গেল বছর ১৩ নভেম্বর রোহিঙ্গা নারী মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের বেংরোয়া গ্রামের আব্দুল হাইয়ের মেয়ে জান্নাত আক্তার, জন্ম তারিখ ১০ই জুন ২০০০, দেখিয়ে একটি নাগরিক সনদ, জন্দসনদ নিয়ে পাসপোর্ট ফরম দাখিল করতে গিয়ে আটক হন।

এ ঘটনায় তার ভূয়া স্বামী রেজউল করিম, পাসপোর্ট ফরমে স্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে সত্যায়ন করার অপরাধে মানিকগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী মোঃ মনোয়ার হোসাইনকে পুলিশ আটক করেন।

ঘটনার দিন ১৩ নভেম্বর রাতেই মানিকগঞ্জ সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সুপারিনটেন্ড মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এতে জন্ম সনদ প্রধান করায় দিঘুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান, ভূয়া স্বামী রেজউল করিম, পাসপোর্ট ফরমে স্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে সত্যায়ন করার অপরাধে মানিকগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী মোঃ মনোয়ার হোসাইনসহ ৪ জনকে আসামী করা হয়।

দিঘুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান হাইকোর্ট থেকে জামিনে নিয়ে আসেন। জামিন শেষ হয়ে যাবার পর বুধবার কোর্টে শুনানিতে জামিন চ্ইালে আদালতের বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।

শাহজাহান বিশ্বাস/মানিকগঞ্জ