শিল্পের মাধ্যমে শিশু দাসত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এনজিও স্ট্রিট আর্ট ফর ম্যানাইন্ড (এসএএম) এর একটি উদ্যোগের অংশ এটি। ছবি: সংগৃহীত

১২ বছর বয়সে সিনেমা দেখে বাড়ি ফেরার পথে, মেলানি থম্পসনকে নিউইয়র্ক সিটিতে তার বাসার কাছের একটি রাস্তা থেকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণের পর তাকে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করা হয়েছিল। আট বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি রাস্তায়, অনলাইনে এবং ভূগর্ভস্থ স্ট্রিপ ক্লাবগুলিতে যৌনকর্মীর কাজ করেছেন।

মানব পাচারের এমন অনেক কাহিনী রয়েছে যা শুনে মনে হবে মানবতা বুঝি হারিয়ে গেছে। থম্পসনের গল্প এখন ম্যানহাটানের সেতু, রাস্তায় ভাস্কর্যের প্রতিনিধিত্ব করে এবং তার অভিজ্ঞতাটি “বিহাইন্ড দ্য ওয়াল” ফোন অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে কেবল ছবিটি স্ক্যান করে শোনা যায়। শিল্পের মাধ্যমে শিশু দাসত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এনজিও স্ট্রিট আর্ট ফর ম্যানাইন্ড (এসএএম) এর একটি উদ্যোগের অংশ এটি।

থম্পসনের মত এমন আরও অনেক গল্প ঠাই পেয়েছে নিউইয়র্কের এই স্ট্রিট আর্টে। এই ক্যাম্পেইনে আন্তর্জাতিক শিল্পীদের ছয়টি গ্রাফিতি মূর্তি স্থান পেয়েছে যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রীতদাসত্ব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌনবৃত্তি, ইউরোপের গার্হস্থ্য দাসত্ব, আফ্রিকার শিশু সৈন্য, এশিয়ায় ফ্যাশন শিল্পের শিশু শ্রম, ল্যাটিন আমেরিকার মাছ শিল্প এবং আফ্রিকার চকলেট শিল্পে শিশু শ্রম ও বিভিন্ন ধরনের দাসত্বকে চিত্রিত করে।

আজকের পত্রিকা/বিএফকে