হবিগঞ্জের মাধবপুরে নকল সার্টিফিকেট দিয়ে দপ্তরি চাকুরি পদে চাকুরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুয়া সাটিফিকেট দিয়ে ২০১৩ সাল থেকে দপ্তরি পদে চাকুরি করে সরকারি বেতন ,ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করছেন ।

২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন “ আউট সোসিংয়ের মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী” নিয়োগ নীতিমালা স্মারক নং -৩৮.০০২.০১৫.০০.০০.০২৪.২০১০-১৪২৫ অনুযায়ী উপজেলার ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অস্থায়ী ভিত্তিতে চুক্তি ভিত্তিক দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগের জন্য বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দাদের নিকট থেকে দরখাস্ত আহবান করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক এই পদে মোট ৪ জন আবেদন করে। ২০১৩ সালে সাবেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মমতা কর্মকার ধর্মঘর ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে নাজমুল হোসেন কে ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নাইট গার্ড নিয়োগ প্রদান করেন।

সম্প্রতি নামজুল হোসেনের অষ্টম শ্রেণীর সার্টিফিকেট ভুয়া বলে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়।

ধর্মঘর ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের মৃত ফটিক মিয়ার ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ব্যাক্তি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবর সম্প্রতি একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, নামজুল হোসেন ২০০৪ -২০০৫ ইং সালে সাউথ কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেনী পযন্ত লেখাপড়া করে বিদেশ চলে যায়। ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে নাজমুল হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে নকল সার্টিফিকেট বানিয়ে ্ওই পদে আবেদন করে এবং নিয়োগ লাভ করেন।

খোজ নিয়ে জানা যায়, নাজমুল হোসেন ২০০৪ সালে ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পাশ করেন। অথচ পাহাড়পুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ছাড় পত্রে নাজমুল হোসেন কে ২০০৩ সালে অষ্টম শ্রেণী পাশ দেখানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে নামজুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার সাটিফিকেট সঠিক।ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদুল হাসানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাাযোগ করা হলে জানান, ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি ২০০৮ সালে যোগদান করেন।

নাজমুল হোসেন তিনি যোগদান করার আগে পঞ্চম শ্রেণী পাশ করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল আলম জানান, সে পাহাড়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছে কিনা তা কাগজপত্র দেখে বলতে হবে।

মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) দ্বিজেন্দ্র আচার্য্য জানান, অভিযোগ টি তদন্ত করে দেখা হচেছ।

মাধবপুর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা তাসনূভা নাশতারানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।