আসামি গাড়িচালক শহীদের সঙ্গে চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। ছবি: সংগৃহীত

কয়েক মাস আগে ফেসবুকে চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল লিখেছিলেন, ‘আমার ভক্তদের কাছে আমি একটি সাহায্য চাচ্ছি। আপনারা সবাই জানেন, ১৯৯৬ সাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত এ জে আই গ্রুপ সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে। আমার কারখানার এক গাড়িচালক ৫৭ লাখ টাকা গ্যাস বিল না দিয়ে পালিয়েছে। এরই মধ্যে থানায় মামলা করা হয়েছে। যে এই প্রতারককে ধরিয়ে দিতে পারবেন, তাঁকে আমি নিজ হাতে পুরস্কৃত করব।’

তারই ধারাবাহিকতায় চিত্রনায়ক অনন্ত জলিলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এ জে আই গ্রুপের ৫৭ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় জড়িত গাড়িচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলার গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রধান আসামির বাসার সামনের উঠান খুঁড়ে ২০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকার আদালতে ওই তিন আসামি টাকা চুরি করার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন গাড়িচালক শহীদ বিশ্বাস (৩৭), তাঁর স্ত্রী আরজু বেগম (২৬) ও শহীদের ভাগনে জুয়েল (২১)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা ডিবির এসআই আশরাফুল আলম বলেন, ঢাকার সাভার থেকে অনন্ত জলিলের টাকা চুরি করে নিয়ে গাড়িচালক শহীদ প্রথমে যান ভোলায় নিজ গ্রামের বাড়িতে। পরে সেখান থেকে চলে যান যশোরে। সেখান থেকে শহীদ স্ত্রীকে মোবাইলে জানান, চুরি করার টাকা তাঁদের বাড়ির পাশে থাকা শিয়ালের গর্তে রেখে এসেছেন। স্ত্রীকে ওই টাকা ঘরে আনতে বলেন। পরে শহীদ ভোলায় আসেন। চুরি করা টাকার মধ্যে ২০ লাখ টাকা পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির উঠানে পুঁতে রাখেন। শহীদকে গ্রেপ্তার করার পর তাঁর কথামতো সেই টাকা মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়। সাড়ে ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয় শহীদের স্ত্রী আরজুর কাছ থেকে।

অনন্ত জলিলের ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেল মাটিতে খুঁড়ে। ভিডিও: প্রথম আলো থেকে নেওয়া।