চরফ্যাশন মাংস বাজারে এইভাবেই মাংস টুকরো করার পিরিতে কুকুরে চেটে চেটে খাচ্ছে। ওই পিরিতেই আবার গরুর মাংস টুকরো করে বিক্রি করছে।

চরফ্যাশন পৌর শহরের গরুর মাংস বাজারে মাংস বিক্রির শেষে কাঠের পিঁড়ি অরক্ষিতভাবে রেখে চলে যায় ব্যবসায়ীরা। ফলে এইভাবে কাঠের পিঁড়িতে লেগে থাকা মাংসের টুকরোর ময়লাগুলো কুকুরে চেটে চেটে খায়। পরের দিন না ধুয়েই মাংস ব্যবসায়ীরা ওই পিঁড়ির ওপর গরু মাংস টুকরো করে দোকানে মাংস বিক্রি করে থাকেন।

চরফ্যাশন সাধারণ ক্রেতা জসিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, আমরা গরুর মাংস ক্রয় করে মা-বাবা, বৌ-বাচ্চা এমনকি অতিথি আপ্যায়ন করি। রমজান মাসে আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য আলেম ওলামা দাওয়াত করে গরুর মাংস দিয়ে মিলাদ মাহফিল করি। আজ নিজ চোখে দেখার পর মাংস ব্যবসায়ীদের উপর ঘৃণা জমেছে।

এ বিষয়টি চরফ্যাশন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জহির রায়হান ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। এতে অনেকে কমেন্ট করেছেন। তার মধ্যে নোমান সিকদার বলেছেন, ভাই পৌরসভা কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। মরা গরু জবাই করার বিষয় ধরা পড়লেও তার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না।

পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মোশারেফ হোসেন রাজা বলেছেন, প্রশাসন একটু দৃষ্টি দিন। কসাইতো মানুষ না।

উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর নুরুল আমীন বলেন, আমি চরফ্যাশন ও মনপুরার দায়িত্বে রয়েছি। পৌরসভা দেখেন ইকবাল হোসেন।

চরফ্যাশন পৌরসভার স্যানেটারি ইন্সপেক্টার ইকবাল হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আমির হোসেন/চরফ্যাশন/জেবি