ছবি : ইন্টারনেট

মসজিদে সুদখোর, যিনাকারী ও দুর্নীতিবাজদের প্রবেশ নিষেধ! অবাক হচ্ছেন। অবাক হবারই কথা। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটি মসজিদে শিশু ও বাচ্চা নিয়ে মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধের একটি নোটিশ ঝুলিয়ে রাখার পর গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উপরের শিরোণামে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে।

এই নোটিশের পক্ষে অনেক ব্যক্তি রায় দিচ্ছেন। আবার অনেকে দিচ্ছেন না।

তবে এ নোটিশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ঢাকার উত্তরার নোটিশদাতা মসজিদের পরিচয় পাওয়া গেলেও মসজিদে সুদখোর, যিনাকারী ও দুর্নীতিবাজদের প্রবেশ নিষেধ! এই নোটিশটি দেশের কোন মসজিদে লাগানো হয়েছে তা জানা যাচ্ছে না।

তবে যেখানেই লাগানো হোক বা না হোক, এই নোটিশ নিয়ে ফেসবুকে শুরু হয়েছে তুমুল বাকযুদ্ধ।

কেউ কেউ এই নোটিশকে সঠিক দাবি করছেন? আবার কেউ কেউ বলছেন এটি ভুয়া।

ফেসবুক ব্যবহারিদের স্কিন শর্ট : ইন্টারনেট

আকবর খসুরু নামে এক ফেসবুক ব্যবহারি বলছেন, মন্দলোক মসজিদে গেলে, নামাজ পড়লে এক সময় তাদেরও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু মন্দ লোক যদি মসজিদে না যায়, নামাজ না পড়ে তাহলে সে কিভাবে মন্দ থেকে বাহির হওয়ার পথ খুঁজে পাবে?

ভালোমন্দ সবাই’কে মসজিদে যাওয়ার উৎসাহ দিতে হবে। নামাজ পড়ার উৎসাহ দিতে হবে।
মন্দলোক মসজিদে যাওয়ার ফলে, মন্দলোক নামাজ পড়ার ফলে এক সময় ভালো হয়ে গেছে। এমন ঘটনা অনেক আছে।

হারুন অর রশীদ হারুন নামে আরেক ফেসবুক ব্যবহারি লিখেছেন ‘আল্লাহ’র ঘর সবার জন্য খোলা থাকবে। কাউকে নিষেধ করা যাবে না।’

Abubokor Siddique নামে এক ফেসবুক ব্যবহারি লিখেছেন ‘এমনিতেই মসজিদে লোক আসেনা তার উপর,,,,,
মসজিদ হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ট স্থান সকল মুসলমান মানুষের সমান সুযোগ থাকা উচিত। আল্লাহ ক্ষমাশীল ক্ষমা চাওয়া ব্যক্তি কে পছন্দ করেন।

NL Liton Ahmad লিখেছেন-স্যার ওরা যদি মসজিদে প্রবেশই করতে না পারে তাহলে ইসলামের কথা কোথায় শুনবে। কিভাবে ভাল হবে তারা?

 

Khurshid Alam-লিখেছেন ‘যদি প্রতিটি মসজিদে সাইবোর্ড টাংগিয়ে দেওয়া হয়, ঘুষখোর, সুদখোর. যিনাকারী ও দুর্নীতিবাজদের মসজিদে প্রবেশ নিষেধ | তাহলে মসজিদে মুসল্লির পরিমান দ্বিগুণ হয়ে যাবে | কারণ যাহারা এখন নিয়মিত নামাজ পড়ে না, তাহারাও তখন নিয়মিত মসজিদে যাবে, সমাজের কাছে শুধু মাত্র নিজেদেরকে নিঃপাপ প্রমানের জন্য |