মমতা বন্দোপাধ্যায়

বিজেপি নেতা সুরেন্দ্র সিং সাংবাদিকদের বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন নিয়ে রাজনীতি করতে চান তবে তাঁর বাংলাদেশেই চলে যাওয়া উচিৎ। মমতার উচিৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া। এনআরসি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারেবারেই মনে করিয়ে দিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করার অনুমতি দেবেন না তিনি।

শনিবার বিজেপির এই নেতা বলেন যে, এনআরসি পশ্চিমবঙ্গেও প্রয়োগ করা হবে এবং তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বাংলাদেশিদের ধরে রাখতে চান তবে তাঁর চেষ্টা করা উচিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া। সুরেন্দ্র সিং সাংবাদিকদের বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খারাপ দিন ঘনিয়ে আসছে। তিনি যদি বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন নিয়ে রাজনীতি করতে চান তবে তাঁর বাংলাদেশেই চলে যাওয়া উচিৎ। মুখ্যমন্ত্রীর যদি সাহস থেকে থাকে তাহলে যদি তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে যান তাহলে ভালোই হবে।”

বিজেপির এই বিধায়ক আরও যোগ করেন, এনআরসি পশ্চিমবঙ্গেও প্রয়োগ করা হবে এবং যারা ভারতের নাগরিক হিসাবে যোগ্যতা অর্জন করবেন না তাদের সম্মানজনকভাবে নিজেদের দেশের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণের থেকে উদাহরণ টেনে সুরেন্দ্র সিং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী সাফল্যের রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, “লঙ্কার (শ্রীলঙ্কা) মানুষ হনুমান জিকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি তবে তিনি সেখানে চলে যেতে পেরেছিলেন। একইভাবে যোগী আদিত্যনাথ এবং অমিত শাহও পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছেন এবং আমরা ওখানে অনেকগুলি আসন পেয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন বাংলার রাজনৈতিক রানী (লঙ্কিনী)। সেখানে রাম নিজের পা রেখেছেন এবং এবার শীঘ্রই সরকারে পরিবর্তন আসবে।” “বাংলায় NRC কার্যকর করা হবে এবং সমস্ত বাংলাদেশিদের হাতে দু’টি প্যাকেট খাবার ধরিয়ে এবং শ্রদ্ধাপূর্বক তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে,” তিনি বলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসামে এনআরসি-র ব্যাপকভাবে বিরোধিতা করেছেন এবং বারেবারেই তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করার অনুমতি দেবেন না তিনি।

-এস