অপহরণকারী সুজন মালাকার।ছবি:সংগৃহীত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে অপহরণের চারদিন পর ১০ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

২৩ মে বৃহস্পতিবার রাতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ি মীর হাজীবাগ একটি বাসা থেকে ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে অপহরণকারী সুজন মালাকার (২৬) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

২৫ মে শনিবার গ্রেফতারকৃত সুজন মালাকার ও ঘটনায় জড়িত তার বড় ভাই অসীম মালাকারকে আদলতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অপহারণকারী সুজন ও অসীমের বাবা রঞ্জন মালাকার বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত সুজন মালাকার ও অসীম মালাকার উপজেলার সোনাখালী গ্রামের রঞ্জন মালাকারের ছেলে।

থানা ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শহরের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সুজন মালাকার কর্মচারী হিসেবে কাজ করে আসছিল। সে দোকান মালিকের বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে তার মেয়ে ১০ম শ্রেণি স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে ওই ছাত্রী সাড়া না দেওয়ায় গত ২০ মে দুপুরে ওই প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে জোর পূর্বক মটরসাইকেল যোগে তুলে নিয়ে যায় সুজন ও সঙ্গীরা।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঢাকার একটি বাসা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে অপহারণকারী সুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আবদুল্লাহ জানান, এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর অপহারণকারী সুজনের বাবা রঞ্জন মালাকারকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার আসামি সুজন মালাকার ও তার ভাই অসিমকে আদালতের সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া ওই ছাত্রীর ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

আজকের পত্রিকা/শেখ রিয়াজ আহম্মেদ নাহিদ/পিরোজপুর/রাফাত/শায়েল