টিম হোটেলে আড্ডায় মাশরাফির দল। ছবি: ডেইলি স্টার

নিউজিল্যান্ডের বাতাসের কথা কম বেশী জানা আছে সবার, মাঝে মাঝে পিচের কাভারও উড়ে যায় বাতাসের কারণে। বাতাস বেশি বলেই সব ধরণের বিমানে কম বেশি বাম্পিং (ঝাঁকুনি) হয়। সবচেয়ে বেশি হয় ছোট বিমানে। যে বাম্পিংয়ে ভীষণ ভয় মাশরাফি বিন মর্তুজার। এই ভয়ের কারণে ২০১৭ সালের সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়েলিংটন হয়ে কোন বিমান ভ্রমণ করেননি নড়াইল এক্সপ্রেস। এমনকি সেবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে ৫/৬ দিনের জন্য স্ত্রী ও কন্যা-পুত্রসহ সিডনি যাবেন, তখনো ওয়েলিংটন এড়িয়ে অকল্যান্ডকে বেছে নিয়েছিলেন।

২০০১ সালে প্রথমবার মাশরাফি গিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড সফরে। সেবার বিমানে চড়েছিলেন। সেই যে ভীতিটা মনের মধ্যে ঢুকেছে, আর বের হয়নি। এরপর থেকে ছোট বিমানের নাম শুনলেই দূরে সরে বসেন মাশরাফি। এবারের সফরেও ছোট বিমান এড়িয়ে গেলেন। তবে এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি নাম, তামিম ইকবাল। দুজনের বিমানে না চড়ার খবরটি জানিয়েছে ডেইলি স্টার।

নেপিয়ারে কাল সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। দল বিমানে করে আগেই সেখানে চলে গেছে। কিন্তু মাশরাফি আর তামিম দলের সঙ্গে যাননি। তারা অকল্যান্ড থেকে নেপিয়ারে যাওয়ার জন্য উঠে বসেন প্রাইভেট কারে। গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছতে লেগেছে ছয় ঘন্টার মতো, বিমানে যে পথ বড়জোর এক ঘন্টার।

আজকের পত্রিকা/এসএমএস/এমআরএস