কসবার মন্দবাগ রেলস্টেশন এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে কসবা উপজেলার জেলা প্রশাসক।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। কোনো হতাহতের পরিচয় পেলেই জানানো হচ্ছে তথ্যকেন্দ্র থেকে।

কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবন জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। হতাহতের পরিচয় পেলেই জানানো হচ্ছে। আর আটকে পড়া যাত্রীদের খাবারের ব্যবস্থাও করেছে উপজেলা প্রশাসন।

চেয়ারম্যান আরও জানান, আইনমন্ত্রী উপজেলা চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন যাত্রীদের সুবিধামতো স্থানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যেন পর্যাপ্ত গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। আইনমন্ত্রীর বাড়ি এই কসবা উপজেলায়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমানও ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তিনি বলেন, পুলিশ সার্বিকভাবে চেষ্টা করছে উদ্ধারকাজে।

জেলা প্রশাসক জানান, এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এবং নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে আপাতত ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে, মরদেহ নেয়ার সুবিধার্থে। এছাড়া আহতদের সেবা জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলীয় প্র্রধান প্রকৌশলী শফিক তুহিন জানান, তিন থেকে চার ঘণ্টা লাগবে উদ্ধারকাজ শেষ করতে। জেলা প্রশাসক বলেছেন, রেলমন্ত্রী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। এতে ১৫ জন নিহত হয়। দুর্ঘটনায় উদয়নের দুটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঢাকার সঙ্গে সিলেট ও চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।