ভোলায় বুলবুলের তাণ্ডব: ঘরবাড়ী বিধ্বস্ত

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে দ্বীপ জেলা ভোলার বোরহানউদ্দিন, লালমোহন ও চরফ্যাশন উপজেলায় ঝড়ো বাতাসে ১০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় ১২জন আহত হয়েছেন।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লালমোহনের পশ্চিম চর উমেদ ও চরফ্যাশনের ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে এবং বোরহানউদ্দিন আব্বাস হাওলাদার বাড়ীতে ও ঘর বাড়ী বিধ্বস্ত ও গাছপালা উপচে পড়ে কয়েকজন লোক আহত হয়।

আহতদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে তিনজনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন পশ্চিম চর উমেদ ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মাল, তার ছেলে ইমরান ও তিশান।

ওই এলাকার বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি ঘুর্ণিঝড়ের বিকট আওয়াজ শুনতে পায়। মুহূর্তের মধ্যে ওই এলাকার রশিদ মালসহ একই বাড়ির আরও দুইটি ঘর বিধ্বস্ত হয়। এ সময় বাড়ির গাছপালাও উপড়ে পড়ে।

তিনি আরও জানান, একই সময়ে ওই এলাকার পাশের এলাকা চরফ্যাশনের ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের আব্দুল মোতালেব ও তার ছেলে মামুন ও বিল্লালের ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। পাশের আরেকটি বাড়ির আব্দুল মুনাফের বসত ঘরটিও বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এ সময় ওই এলাকার রাস্তার গাছপালাও উপড়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে লালামোহন উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের চরপেয়ারীমোহন এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে অন্তঃত পাঁচ জন আহত হয়েছেন। তবে সেখানকার আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। বোরহানউদ্দিন আব্বাস হাওলাদার বাড়ীর রুমান জানান, বুলবুলের আঘাতে তাদের বাড়ীর কয়েকটি ঘর বিধস্ত হয় এবং গাছপালা উপচে পড়ে। এছাড়া মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর তীরের ছোট ছোট ঘর বিধস্ত হয়। এখনও বুলবুলের প্রভাবে ভোলায় প্রচন্ড বাতাস ও মুসুলদারে বৃষ্টি হচ্ছে।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান রুমি বলেন, আমরা লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদ এলাকায় গাছ পড়ে একজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। তবে বাকিদের খবর আমরা পাইনি।

আবদুল মালেক/ভোলা